মাঠে নামলেই জাদু ছড়ান লিওনেল মেসি। ইন্টার মায়ামির জার্সিতে মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) মাঠ যেন হয়ে উঠেছে তার একক রাজত্বের মঞ্চ। গোল, অ্যাসিস্ট আর ড্রিবলিং সবকিছুতেই প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলছেন ফুটবল ইতিহাসের এই অন্যতম সেরা খেলোয়াড়। সবশেষ মন্ট্রিয়েল বিপক্ষে ৪-১ গোলের দাপুটে জয়ে দলের প্রাণভোমরা ছিলেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক মেসি। এদিন দুটি চোখধাঁধানো গোল করে শুধু জয়ই উপহার দেননি, জিতে নিয়েছেন ম্যাচসেরার পুরস্কারও যা এমএলএস-এ তার নবম ‘প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ’ খেতাব। মেসির এই অসাধারণ পারফরম্যান্স মনে করিয়ে দেয় তার বার্সেলোনার সেই স্বর্ণালি সময়কে। ড্রিবলিংয়ের নৈপুণ্যে প্রতিপক্ষের তিন থেকে পাঁচ জন ডিফেন্ডারকে একের পর এক বোকা বানিয়ে বাঁ পায়ের নিখুঁত শটে বল পাঠান জালে একইসঙ্গে গ্যালারিতে এনে দেন বিস্ময়ের ঢেউ। এই নিয়ে এমএলএস ক্যারিয়ারে ৯ বার ম্যাচসেরা হওয়ার বিরল কীর্তি গড়লেন মেসি। ১৯৯৬ সালে শুরু হওয়া এই লিগের ইতিহাসে মাত্র ১১ জন ফুটবলার নয়বার করে এই সম্মান পেয়েছেন। তবে যেখানে অন্যরা বছরের পর বছর ধরে এই অর্জন ছুঁয়েছেন, সেখানে মেসি করেছেন মাত্র দুই মৌসুমে এটিই তার নৈপুণ্যের প্রকৃত প্রমাণ। বর্তমানে সক্রিয় খেলোয়াড়দের মধ্যে মেসির সঙ্গে কেবল আটলান্টা ইউনাইটেডের জোসেফ মার্তিনেজই রয়েছেন এই তালিকায়। তবে সামনে সুযোগ মেসির আগামী ১০ জুলাই নিউ ইংল্যান্ড রেভোল্যুশনের বিপক্ষে মাঠে নামবে ইন্টার মায়ামি। সেদিন আরেকটি ম্যাচসেরা পুরস্কার অর্জন করলেই এককভাবে এমএলএস ইতিহাসে নিজেকে তুলবেন অনন্য উচ্চতায়।সবকিছু মিলিয়ে বলা যায়, বয়স ৩৮ ছুঁই ছুঁই করলেও ফুটবল মাঠে মেসির জাদু এখনো সমানভাবে তাজা। তিনি শুধু ম্যাচ জেতান না, ফুটবলকে রাঙান সৌন্দর্যের রূপে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
