ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে স্প্যানিশ জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদকে ৪-০ গোলে বিধ্বস্ত করে ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে ফরাসি চ্যাম্পিয়ন প্যারিস সেন্ট জার্মেইন (পিএসজি)। ফাবিয়ান রুইজের জোড়া গোল ও ওসমান ডেম্বেলের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে একপ্রকার উড়েই যায় লস ব্লাঙ্কোসরা।
ম্যাচের শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে পিএসজি। মাত্র ২৪ মিনিটের মধ্যেই স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৩-০, যা রিয়াল সমর্থকদের কাছে ছিল নিদারুণ হতাশার। শেষ গোলটি করেন গনসালো রামোস, ৮৭ মিনিটে বদলি হিসেবে নেমে চমৎকারভাবে গোলটি করেন তিনি।
রিয়ালের হয়ে এই ম্যাচে অভিষেক হয় সাবেক পিএসজি সুপারস্টার কিলিয়ান এমবাপের, যিনি ৭ বছর পিএসজিতে খেলে ২৫৬ গোলের রেকর্ড গড়েছিলেন। তবে প্রাক্তন দলের বিপক্ষে তার প্রত্যাবর্তন রঙিন হয়নি। পিএসজির জমাট রক্ষণভাগ ও দোন্নারুম্মার নেতৃত্বে রিয়ালের আক্রমণ যেন স্থবির হয়ে পড়ে।
ম্যাচের প্রথম গোল আসে রিয়ালের ডিফেন্স লাইনের ভুলে, যেখানে ডেম্বেলে বল ছিনিয়ে রুইজকে পাস বাড়ান, এবং তিনি ফিনিশিংয়ে ভুল করেননি। কিছুক্ষণের মধ্যেই রুডিগারের আরও একটি ভুলে ডেম্বেলে নিজেই স্কোরশিটে নাম লেখান।
এই ম্যাচে রিয়াল দলে ছিলেন না ইংলিশ তারকা ট্রেন্ট আলেকজান্ডার-আর্নল্ড। সূত্র মতে, তিনি অনুশীলনে চোট পেয়েছেন।
ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয় যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে, যেখানে উপস্থিত ছিলেন ৭৭ হাজারের বেশি দর্শক। উচ্চ তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার (অনুভূত ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস) মধ্যেও পিএসজি তাদের ছন্দ হারায়নি।
চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের পর এবার ক্লাব বিশ্বকাপের শিরোপা জয়ের স্বপ্নে পিএসজি। ফাইনালে তারা মুখোমুখি হবে ইংলিশ ক্লাব চেলসির, যারা অন্য সেমিফাইনালে ব্রাজিলিয়ান ক্লাব ফ্ল্যামেঙ্গোকে হারিয়ে এসেছে।
শেষ কথা:
পিএসজির এই জয় শুধু ফাইনালে উঠা নয়, বরং ইউরোপীয় ফুটবলের মঞ্চে রিয়ালের বিপক্ষে এক ঐতিহাসিক বার্তাও। এখন দেখার বিষয়—চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্যে ফরাসি ক্লাবটি শেষ বাঁধা চেলসিকে কীভাবে সামলায়।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
