ইউরোপজুড়ে ভয়াবহ তাপপ্রবাহে প্রাণ গেল হাজার মানুষের। জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী করা হচ্ছে এসব মৃত্যু। গত ২৩ জুন থেকে ২ জুলাই পর্যন্ত ইউরোপে বয়ে যাওয়া তীব্র তাপপ্রবাহে মারা গেছেন প্রায় ২ হাজার ৩০০ জন মানুষ। এর মধ্যে অন্তত ১৫০০ জনের মৃত্যু প্রত্যক্ষভাবে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে হয়েছে বলে জানিয়েছে লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজ ও হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিনের গবেষকেরা।
স্পেনে তাপমাত্রা ছাড়িয়েছে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ফ্রান্সে শুরু হয়েছে দাবানল। লন্ডন, রোম, লিসবনের মতো শহরগুলোতে ৩৮ ডিগ্রি বা তার বেশি তাপমাত্রা অনুভূত হয়েছে। গবেষকেরা বলছেন, অনেক মৃত্যু রেকর্ডই হয়নি, কারণ এসব দেশ এখনও তাপ-সম্পর্কিত মৃত্যুর হিসাব রাখা শুরু করেনি।
জাতিসংঘ দীর্ঘদিন ধরেই সতর্ক করে আসছে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন অংশে আরও বেশি, আরও তীব্র তাপপ্রবাহ দেখা যাবে। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, ‘জলবায়ু সংকট এখন মানবতার অস্তিত্বের জন্য হুমকি।
ইইউর কপার্নিকাস ক্লাইমেট সার্ভিস জানায়, ২০২৫ সালের জুন ছিল বিশ্বের ইতিহাসে তৃতীয় সবচেয়ে গরম মাস। ২০২৩ ও ২০২৪ সালের জুনও ছিল বিশ্বে ভয়াবহ গরমের রেকর্ড।
বিশ্বজুড়ে তাপপ্রবাহে মৃত্যু শুধু সংখ্যার নয়, এটি বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের বড় উদহারন। এদিকে জাতিসংঘ আহ্বান জানিয়েছে, জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে, দ্রুত নবায়নযোগ্য শক্তির দিকে যেতে হবে। তাই জলবায়ু পরিবর্তনে বড় ভূমিকা রাখতে হবে মানুষকেই।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
