ছবি: সংগৃহিত।
বাংলাআওয়ার ডেস্ক: কাতারের সবচেয়ে প্রতিষ্ঠিত এবং বিখ্যাত একজন ব্যক্তি ঘানিম আল মুফতাহ। তার হাত ধরেই বেজে উঠলো বিশ্বকাপের দামামা। তিনি কোরআন তেলাওয়াত শোনালেন মাঠে উপস্থিত দর্শকদের এবং সারাবিশ্বের ফুটবলপ্রেমীদের।
শরীরের অর্ধেক অংশ না থাকা গানিম আল মুফতাহ'র জন্ম কাতারেই। গারসিয়া আইসক্রিম নামের একটি নিজস্ব কোম্পানি আছে মুফতাহর। কাতারে এটির আছে ছয়টি শাখা। শারীরিক বিরল জটিলতা স্বত্ত্বেও কাতারের অন্যতম প্রতিষ্ঠিত এবং বিখ্যাত একজন ব্যক্তি। একজন মোটিভেশনাল স্পীকার। আরবের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে রয়েছে তার অসংখ্য ভক্ত ও সমর্থক।
তার এই বিকলাঙ্গতাকে মহান আল্লাহর সিদ্ধান্ত হিসেবে মেনে নিয়ে ঘানিম বলেন, তার অসম্পূর্ণ শরীরের জন্য তিনি মোটেও দোষী নন। বরং আল্লাহ তাকে যে পরিমাণ অঙ্গ-প্রতঙ্গ দিয়ে পাঠিয়েছেন এর জন্য তিনি কৃতজ্ঞ। নিজের সহপাঠী, বন্ধুবান্ধবকে এসব বোঝাতে বোঝাতে নিজের অজান্তেই হয়ে ওঠেন একজন মোটিভেশনাল স্পিকার।
কাতারের ২০ বছর বয়সী এই প্রতিবন্ধী যুবক আজ সেদেশের শান্তির দূত হিসেবে বিশ্ব দরবারে পৌঁছে গেলেন। অদম্য এই তরুণ থেমে থাকেননি এখানেই। আরবের সবচেয়ে বড় পাহাড় জাবেল শামসের চূড়ায় উঠেছেন। স্কুলে থাকতে হাতে বুট লাগিয়ে খেলতেন ফুটবল, খেলেছেন আরও অনেক খেলাই।
অদম্য ইচ্ছা শক্তি আর পরিবারের সহযোগীতা থাকলে প্রতিবন্ধকতা সাফল্যের পথে কোনো অন্তরায় হতে পারে না তার বাস্তব উদাহরন ঘানিম আল মুফতাহ। যারা যেকোন বিষয়ে হতাশ হয়ে পড়েন, নিজেকে নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভেঙ্গে পড়েন তারা ২০ বছর বয়সী কাতারী তরুণ গানিম আল-মিফতাহকে দেখে মোটিভেশন নিতে পারেন।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
