banglahour

উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় পাহাড়ি কৃষকরা চরম দুরবস্থার সম্মুখীন

সারাদেশ | অনলাইন ডেস্ক

(১ বছর আগে) ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, বুধবার, ১০:৫৫ পূর্বাহ্ন

ধান চাষে উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গার কৃষকরা চরম দুরবস্থার সম্মুখীন। সার, বীজ, ডিজেল, কীটনাশক, সেচসহ কৃষি উপকরণের মূল্যবৃদ্ধির কারণে কৃষি উৎপাদনের খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে জমি চাষ ও সেচ ব্যয় বেড়ে গেছে।


এতে ধান চাষে সরাসরি প্রভাব পড়ছে। উৎপাদন খরচ নিয়ন্ত্রণে এনে কৃষি খাত টিকিয়ে রাখতে কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা ও প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের দাবি জানিয়েছেন চাষিরা।

মাটিরাঙ্গা উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, মাটিরাঙ্গায় ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৩১ টাকা দরে ৫০ টন বোরো ধান সংগ্রহ করা হয়। একই সঙ্গে আমন ধান সংগ্রহ করা হয় ৬০ টন। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রতি কেজি ৩২ টাকা দরে বোরো ধান সংগ্রহ হয় ৬৯ টন। আমন ধান সংগ্রহ হয় ৫১ টন। ২০২৪-২৫ অর্থব

ছরে প্রতি কেজি আমন ধান ৩৩ টাকা দরে সংগ্রহের পরিমাণ কমে দাঁড়ায় ১৫ টন।


এ বছর সরকারিভাবে ধান সংগ্রহে কৃষকের অনাগ্রহ লক্ষ করা গেছে। প্রতি কেজি ধান মানভেদে স্থানীয় বাজারে ৩৪-৩৫ টাকা করে বিক্রি করছেন কৃষক। এতে কৃষকের ভোগান্তি নেই। মাড়াই করার সঙ্গে সঙ্গে নগদ টাকায় ধান বিক্রি করতে পারছেন তারা।

মাটিরাঙ্গা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, মাটিরাঙ্গায় প্রতি কেজি বোরো ধানের উৎপাদন খরচ প্রায় ২৪ টাকা। এক ফসলি জমিতে খরচ আরও বেশি হতে পারে। ১ কেজি ধান উৎপাদনে খরা মৌসুমে মোট ১ হাজার ৬০০ থেকে ২ হাজার লিটার পানির প্রয়োজন হয়। বেলে দোআঁশ মাটিতে পানি বেশি লাগে। এঁটেল মাটি হলে পানি পরিমাণে কম লাগে। পানি খরা বা বাষ্প হয়ে নষ্ট না হলে ১ কেজি ধান উৎপাদন করতে ৫৫০-৬৫০ লিটার পানির প্রয়োজন হয়।


বোরো মৌসুম পুরোটাই পানিনির্ভর হলেও ফলন বেশি হয়। আমনের মৌসুমে পানি লাগে না, তখন বৃষ্টির সিজন হওয়ায় প্রাকৃতিক উৎস থেকে পানি পাওয়া যায়। ফলনও ভালো হয়, খরচ হয় কম। আউশে খরচ লাগে, তবে বোরোর তুলনায় কম। তা ছাড়া প্রতি বিঘা জমিতে কৃষকের ৬ হাজার টাকার সার ও কীটনাশক খরচ হয়। বিশাল উৎপাদন খরচের চাপে জমি বর্গা করে লাভের মুখ দেখেন না কৃষক।


মাটিরাঙ্গা প্রত্যন্ত পাহাড়ি জনপদ হওয়ার দরুন ভূগর্ভস্থ ২৫০ থেকে ৩০০ ফুট মাটির নিচে পানির লেয়ার পাওয়া যায়। তাই এ স্থানে জমিতে পানির খরচও বেশি। মাটিরাঙ্গায় ছোট ছোট চড়া বা খাল থাকায় তৎসংলগ্ন এলাকায় কৃষিজমিতে ওইসব উৎস থেকে পানি সেচ দেওয়ার সুবিধা রয়েছে। যদিও উত্তোলন খরচ দিন দিন বেড়েই চলেছে।

উপদেষ্টা সম্পাদকঃ হোসনে আরা বেগম
নির্বাহী সম্পাদকঃ মাইনুল ইসলাম
ফোন: +৮৮০১৬৭৪০৬২০২৩
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম
ফোন: +৮৮ ০১৭ ১২৭৯ ৮৪৪৯
অফিস: ৩৯২, ডি আই টি রোড (বাংলাদেশ টেলিভিশনের বিপরীতে),পশ্চিম রামপুরা, ঢাকা-১২১৯।
যোগাযোগ: তাহিরুল ইসলাম, ০১৭৭৮০০৪৭০০ contact@banglahour.com
অফিসিয়াল মেইলঃ banglahour@gmail.com
banglahour
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল