
(১ বছর আগে) ২৭ এপ্রিল ২০২৫, রবিবার, ২:০৭ অপরাহ্ন
রাজশাহীর বাঘা উপজেলার চকরাজাপুর ইউনিয়নের আতারপাড়া ও চৌমাদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এখন পদ্মার অসময়ের ভাঙনের মুখে ভয়ংকর ঝুঁকিতে রয়েছে। আতারপাড়া বিদ্যালয় থেকে মাত্র পাঁচ হাত দূরে এবং চৌমাদিয়া বিদ্যালয় থেকে প্রায় ১৫০ মিটার দূরে পৌঁছে গেছে নদীভাঙন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এর আগে ২০২৪ সালের ৯ অক্টোবর আতারপাড়া বিদ্যালয়টি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। পরে এক কিলোমিটার দূরে টিনের বেড়ার একটি অস্থায়ী স্থাপনায় শিক্ষার্থীদের পাঠদান চালু রাখা হয়। কিন্তু এক বছরের মাথায় আবারও ভাঙনের হুমকিতে পড়েছে বিদ্যালয়টি। ৮৫ জন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ এখন চরম অনিশ্চয়তায়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম জানান, নিজেদের টাকায় গড়ে তোলা নতুন স্থাপনাও এখন বিপদের মুখে পড়েছে। বিষয়টি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়েছে।
চৌমাদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ও একই আতঙ্কে। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সোহেল রানা বলেন, ১৯৫৫ সালে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টি ইতোমধ্যে চারবার স্থানান্তর করা হয়েছে। এবারও স্কুলটি হয়তো অন্যত্র সরাতে হবে। বর্তমানে বিদ্যালয়ের পাশের এলাকা দিয়ে দ্রুত ভাঙন এগিয়ে আসছে।
চকরাজাপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আবদুর রহমান দর্জি জানান, যেকোনো সময় দুটি স্কুলই নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে। এলাকার প্রায় তিন হাজারের বেশি মানুষ ইতোমধ্যে বসতভিটা হারিয়ে অন্যত্র যেতে বাধ্য হয়েছে।
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মীর মামুনুর রহমান বলেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাম্মী আক্তারও দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
সংক্ষেপে:
পদ্মার ভাঙনের হুমকিতে রাজশাহীর আতারপাড়া ও চৌমাদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম বিপর্যয়ের মুখে।