
(১ বছর আগে) ২৩ জুন ২০২৫, সোমবার, ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ আপডেট: ১২:৩৯ পূর্বাহ্ন
মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বাড়ছে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে। একদিকে আঞ্চলিক আধিপত্যের লড়াই, অন্যদিকে পারমাণবিক কর্মসূচি ও গোয়েন্দা হামলার পাল্টাপাল্টি অভিযোগ। এই প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠছে—সামরিক শক্তিতে কে আসলে এগিয়ে? ইরান না ইসরায়েল?
| ক্যাটাগরি | ইরান | ইসরায়েল |
|---|---|---|
| সক্রিয় সেনা সদস্য | প্রায় ৫.৮ লাখ | প্রায় ১.৭ লাখ |
| রিজার্ভ ফোর্স | ৩.৫ লাখ+ | ৪ লাখ+ |
| সশস্ত্র বাহিনীর শাখা | সেনা, নৌ, বিমান, রেভল্যুশনারি গার্ড | সেনা, নৌ, বিমান, সাইবার ইউনিট |
সংখ্যার দিক থেকে ইরান এগিয়ে থাকলেও, ইসরায়েলের সেনাবাহিনী প্রশিক্ষণ, শৃঙ্খলা ও প্রযুক্তিতে অধিক আধুনিক।
| ক্ষেপণাস্ত্র ও প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি: | ইরান- | ইসরায়েল |
|---|
| ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র: | শেহাব, খোরামশাহর, সেজিল সিরিজ/ | ক্ষেপণাস্ত্র নেই, কিন্তু প্রতিরক্ষা ব্যতিক্রম |
| পারমাণবিক অস্ত্র- | উন্নয়নের পথে, ঘোষণা অস্বীকার/ | আনুষ্ঠানিক ঘোষণা নেই, তবে ধারণা ৮০-৯০ ওয়ারহেড |
| ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা- | মাঝারি ক্ষমতার সমরাস্ত্র/ | আয়রন ডোম, ডেভিড’স স্লিং, অ্যারো সিস্টেম |
ইসরায়েল প্রতিরক্ষা প্রযুক্তিতে বিশ্বসেরা। ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধে তাদের আয়রন ডোম বহুবার কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। ইরানের আক্রমণাত্মক সক্ষমতা থাকলেও প্রতিরক্ষা দুর্বল।
| সাইবার ও গোয়েন্দা যুদ্ধ: | ইরান- | ইসরায়েল |
|---|
| সাইবার ইউনিট- | সক্রিয়, হ্যাকার ভিত্তিক/ | অত্যাধুনিক, ‘Unit 8200’ বিশ্বখ্যাত |
| গোয়েন্দা সংস্থা- | IRGC, MOIS/ | মোসাদ, শিন বেত |
ইসরায়েল সাইবার ও গোয়েন্দা অপারেশনে বিশ্বে অন্যতম শীর্ষস্থানীয়। ইরান যদিও সক্ষম, তবে নির্ভর করে সংঘবদ্ধ হ্যাকার গোষ্ঠীর ওপর।
ইরান সামরিক জনবল ও আঞ্চলিক প্রতিপত্তিতে শক্তিশালী হলেও, ইসরায়েল আধুনিক প্রযুক্তি, কৌশল, ও গোয়েন্দা সক্ষমতায় অনেক বেশি অগ্রসর। ভবিষ্যৎ সংঘাতে প্রযুক্তির দিকটি বড় ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়াবে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।