banglahour

ভৈরবে স্কুল ভবন নির্মাণে অনিয়ম: কাজ শেষ না করেই বিলের স্বাক্ষর

সারাদেশ | এম এ হালিম, প্রতিনিধি,ভৈরব

(১ বছর আগে) ২৩ জুন ২০২৫, সোমবার, ৫:৩৮ অপরাহ্ন

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে জামালপুর টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলার ভবন নির্মাণে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। আরও অভিযোগ রয়েছে, কাজ সম্পূর্ণ না করেই বিল ভাউচারে আগাম স্বাক্ষর নিয়ে পুরো টাকা উত্তোলনের চেষ্টা চলছে। এতে এলাকায় চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।

বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ ও স্থানীয়রা জানান, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের অর্থায়নে ১ কোটি ২৪ লাখ ৬০ হাজার টাকা ব্যয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সৈকত এন্টারপ্রাইজ ২০২৪ সালে ভবনটির নির্মাণকাজ শুরু করে। কিন্তু নির্মাণে নি¤œমানের বালি, রড, সিমেন্ট, এবং সেগুন কাঠের পরিবর্তে মেহগনি কাঠ ও নিম্নমানের থাই গ্লাস ব্যবহার করা হচ্ছে। ভবনটির টেকসইতা নিয়ে এখন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভূমিকম্প বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকে।

বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের (এডহক কমিটি) সদস্য শাহআলম মিয়া বলেন, “ঠিকাদার ও প্রকৌশলী রেজাউল হোসেন নির্মাণকাজ শেষ না করেই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আঃ হাকিমের কাছ থেকে বিল ভাউচারে স্বাক্ষর নিয়ে নিয়েছেন। এটি একটি বড় ধরণের অনিয়ম এবং এতে প্রধান শিক্ষকের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে আমরা মনে করি।”

বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মোস্তফা কামাল জানান, “এর আগেও প্রধান শিক্ষক মোঃ আঃ হাকিমের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।”

অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক মোঃ আঃ হাকিম বলেন, “আমি কনস্ট্রাকশনের কাজ বুঝি না। প্রকৌশলী রেজাউল হোসেনের অনুরোধে বিল ভাউচারে স্বাক্ষর করেছি। তবে তাঁরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, মেহগনি পালার পরিবর্তে ভবিষ্যতে সেগুন কাঠের পালা স্থাপন করা হবে। তাছাড়া, আমাকে রাজনৈতিক কারণে পূর্বে মিথ্যা অভিযোগে বহিষ্কার করা হয়েছিল।”

এ বিষয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলী রেজাউল হোসেন বলেন, “নি¤œমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ সঠিক নয়। যেসব জায়গায় মেহগনি কাঠ ব্যবহার হয়েছে, তা পরিবর্তন করে সেগুন কাঠ দেওয়ার জন্য ঠিকাদারকে বলা হয়েছে। প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে বিল ভাউচারে স্বাক্ষর নেওয়া হলেও এখনো চেক প্রদান করা হয়নি। কাজ সম্পন্ন করে বুঝিয়ে দেওয়ার দুই মাস পর চেক প্রদান করা হবে।”

স্থানীয়রা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন এবং অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।

উপদেষ্টা সম্পাদকঃ হোসনে আরা বেগম
নির্বাহী সম্পাদকঃ মাইনুল ইসলাম
ফোন: +৮৮০১৬৭৪০৬২০২৩
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম
ফোন: +৮৮ ০১৭ ১২৭৯ ৮৪৪৯
অফিস: ৩৯২, ডি আই টি রোড (বাংলাদেশ টেলিভিশনের বিপরীতে),পশ্চিম রামপুরা, ঢাকা-১২১৯।
যোগাযোগ: তাহিরুল ইসলাম, ০১৭৭৮০০৪৭০০ contact@banglahour.com
অফিসিয়াল মেইলঃ banglahour@gmail.com
banglahour
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল