
(১ বছর আগে) ২৪ জুন ২০২৫, মঙ্গলবার, ৫:৫২ অপরাহ্ন
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, “বিশ্বের ধনী দেশগুলো বিপুল পরিমাণ গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গত করলেও, ভয়াবহ প্রভাব বহন করতে হচ্ছে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোকে। অথচ বৈশ্বিক নিঃসরণে আমাদের অবদান মাত্র ০.৪ শতাংশ।”
তিনি আজ মঙ্গলবার (১০ আষাঢ়) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের থ্রিডি হলরুমে আয়োজিত একটি যাচাইকরণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। “দুধ ও গরু পালন কার্যক্রম সংক্রান্ত তথ্য এবং আইপিসিসির টায়ার-২ ভিত্তিক গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন পরিমাপ—এলডিডিপি হস্তক্ষেপের প্রভাব” শীর্ষক এই কর্মশালার আয়োজন করে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) ও বিশ্বব্যাংক।
ফরিদা আখতার বলেন, “উন্নত দেশগুলো বহুবার সহযোগিতার আশ্বাস দিলেও তা বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়েছে। তাই আমাদের নিজেদের প্রযুক্তি ও সক্ষমতা দিয়েই জলবায়ু মোকাবিলায় প্রস্তুত হতে হবে।” তিনি প্রাণিসম্পদ খাতে কার্বন নির্গমন নিয়ন্ত্রণে বিনিয়োগ ও গবেষণাভিত্তিক প্রস্তুতির ওপর জোর দেন।
তিনি আরও বলেন, “প্রোটিনের উৎস হিসেবে মাংস গুরুত্বপূর্ণ, তবে মিথেন গ্যাস নির্গমন কীভাবে কমানো যায়, সে বিষয়ে আধুনিক প্রযুক্তি ও গবেষণার মাধ্যমে সমাধান খুঁজে বের করতে হবে। মাঠপর্যায়ের তথ্য বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে সংগ্রহ করে গবেষণার মান বাড়ানো সম্ভব।”
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবু সুফিয়ান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন:
বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. শাকিলা ফারুক
FAO বাংলাদেশ প্রতিনিধি জিয়াওচুন শি (Jiaoqun Shi)
বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র কৃষি অর্থনীতিবিদ ও টিম লিডার আমাদু বা
বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য দেন এলডিডিপি প্রকল্প পরিচালক ডা. মো. জসিম উদ্দিন এবং প্রকল্পের বিভিন্ন দিক নিয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চীফ টেকনিক্যাল কো-অর্ডিনেটর ড. মো. গোলাম রব্বানী।
উল্লেখ্য: এলডিডিপি (Livestock and Dairy Development Project) প্রকল্পটি বাংলাদেশে প্রাণিসম্পদের পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন এবং টেকসই দুধ ও মাংস উৎপাদনের লক্ষ্যে পরিচালিত একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ।