
(১ বছর আগে) ২৫ জুন ২০২৫, বুধবার, ১০:১৩ অপরাহ্ন
নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে চলমান নেটো সম্মেলনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত পরিস্থিতি। সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট এবং রিপাবলিকান নেতা ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, “ইরান সাহসিকতার সাথে লড়াই করেছে।”
এই মন্তব্যে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে, বিশেষ করে যখন ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের রেশ এখনো কাটেনি এবং কূটনৈতিক সমাধান খোঁজার চেষ্টা চলছে।
ট্রাম্প আরও জানান, “আমি আশা করি আগামী সপ্তাহেই ইরানের সঙ্গে সরাসরি আলাপ শুরু করতে পারব। আলোচনার দরজা কখনোই বন্ধ নয়। তবে তা হতে হবে যুক্তি ও বাস্তবতার ভিত্তিতে।”
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এ মন্তব্য তার আগাম নির্বাচনি কৌশলের অংশও হতে পারে। ইরানকে সাহসী বলে স্বীকৃতি দিয়ে তিনি মধ্যপ্রাচ্য ইস্যুতে একটি ‘নমনীয় ও আলোচনাপ্রবণ নেতৃত্বের’ ইমেজ গড়তে চাইছেন।
ওয়াশিংটন-ভিত্তিক আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক লরা জ্যাকবস বলেন, “ট্রাম্প একদিকে নিজেকে শক্তিশালী নেতার মতো তুলে ধরছেন, আবার অন্যদিকে আলোচনার বার্তা দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের শান্তিপ্রত্যাশী মহলের মনোযোগ আকর্ষণ করছেন।”
ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন আমলেই ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্র একতরফাভাবে ইরান পারমাণবিক চুক্তি (JCPOA) থেকে সরে দাঁড়ায়। এরপর থেকেই ওয়াশিংটন-তেহরান সম্পর্কে টানাপড়েন শুরু হয়, যার ধারাবাহিকতা এখনো বিদ্যমান।
ট্রাম্পের এই সাহসিকতা ও আলাপের বার্তা কতটা বাস্তবায়িত হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে এটি নিশ্চিত, মধ্যপ্রাচ্যের নতুন সমীকরণে তার মন্তব্য এক নতুন মাত্রা যুক্ত করেছে।