
(১ বছর আগে) ২ জুলাই ২০২৫, বুধবার, ১১:৪০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ আপডেট: ১১:৪৪ অপরাহ্ন
পার্বত্য চট্টগ্রামের অন্তত একশটি স্কুলে চলতি বছরের মধ্যেই ই-লার্নিং চালুর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বুধবার (২ জুলাই) রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় আয়োজিত এক বৈঠকে এ নির্দেশনা দেন তিনি।
বৈঠকে পার্বত্য উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা, মুক্তিযুদ্ধ ও দুর্যোগ বিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক ই আজম, খাদ্য ও ভূমি উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার, প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব সিরাজ উদ্দিন মিয়া এবং প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
শিক্ষা কর্মকর্তারা বৈঠকে জানান, পার্বত্য চট্টগ্রামের স্কুলগুলোতে ভার্চুয়াল শিক্ষা চালুর পথে তিনটি প্রধান বাধা রয়েছে—
১. দুর্গম অঞ্চলে বিদ্যুৎ সুবিধার অভাব
২. ইন্টারনেট সংযোগের অপ্রতুলতা
৩. দক্ষ শিক্ষক সংকট
এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সোলার প্যানেলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ, মোবাইল নেটওয়ার্ক ও স্টারলিংক ইন্টারনেট সেবা ব্যবহার এবং চুক্তিভিত্তিক শিক্ষকদের নিয়োগের পরামর্শ দেন প্রধান উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, প্রথমে একশটি স্কুল চিহ্নিত করে তালিকা করতে হবে। কোন স্কুলে কী ঘাটতি রয়েছে— ইন্টারনেট, সরঞ্জাম, শিক্ষক— তা নিরূপণ করে দ্রুত কার্যক্রম শুরু করতে হবে। চলতি বছরের মধ্যেই ভার্চুয়াল ক্লাস চালু করতে হবে।
প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন,শহরের ভালো শিক্ষকরা অনলাইনে গণিত, বিজ্ঞান ও ইংরেজি পড়াবেন পার্বত্য চট্টগ্রামের শিক্ষার্থীদের। ভালো শিক্ষক ও মানসম্পন্ন পড়াশোনার সুযোগ পেলে সেখান থেকেও মেধাবীরা উঠে আসবে।
তিনি বলেন, এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে একাধিক মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে সমন্বয়ের মাধ্যমে পরিকল্পনা প্রণয়নের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
বৈঠকে পার্বত্য উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা পার্বত্য অঞ্চলের তিন উপজেলায় জীবনমান উন্নয়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণ সম্পর্কেও প্রস্তাব উপস্থাপন করেন। প্রধান উপদেষ্টা তা গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের নির্দেশ দেন।