
(১ বছর আগে) ৮ জুলাই ২০২৫, মঙ্গলবার, ৩:৪৫ অপরাহ্ন
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কেএমপি কমিশনার মোঃ জুলফিকার আলী হায়দার জানিয়েছেন, গত ১০ মাসে মেট্রোপলিটন এলাকায় ঘটে যাওয়া ২৬টি হত্যাকাণ্ডের মধ্যে ২২টির রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ এবং জড়িত আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৮ জুলাই) দুপুরে কেএমপির সম্মেলন কক্ষে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। পুলিশ কমিশনার জানান, বাকি দুইটি হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং ইতিমধ্যে তদন্তে অগ্রগতি হয়েছে। বাকি দুটি লাশ নদীতে ভেসে আসায়, সেগুলোর তদন্তের দায়িত্বে রয়েছে নৌপুলিশ। তিনি বলেন, খুন, মাদক ও ট্রাফিক শৃঙ্খলা— এই তিনটি ক্ষেত্রকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে আমরা কাজ করছি।মাদকের বিরুদ্ধে অভিযানের প্রসঙ্গে কমিশনার জানান, গত সপ্তাহে হরিণটানা থানা এলাকা থেকে ১৯ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি নিয়মিত অভিযানে খুলনা মহানগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে মাদকদ্রব্য জব্দ করা হচ্ছে। তিনি অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “সন্তানদের সন্ধ্যার পরে ঘরের বাইরে আড্ডা না দিয়ে পড়ার টেবিলে ফেরাতে হবে। ইজিবাইক নিয়ে পরিকল্পনা কমিশনার জানান, খুলনা শহরে প্রতিদিন প্রায় ২০–২২ হাজার ইজিবাইক চলাচল করে। যার মধ্যে প্রায় ৬০ শতাংশ বাইরের এলাকা থেকে আসে। এদের ট্রাফিক আইন সম্পর্কে সচেতনতার অভাব থাকায় শহরে যানজট ও বিশৃঙ্খলা তৈরি হচ্ছে। এই প্রেক্ষিতে ইতোমধ্যে ছয় হাজার ৫০০ চালককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে এবং বাকি চালকদেরও তিন থেকে চার মাসের মধ্যে প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে। এছাড়া যানজট নিরসনে, ইজিবাইকগুলোকে রঙভিত্তিক ভাগ করে একদিন পর একদিন চলাচলের ব্যবস্থা করা যায় কি না, সে বিষয়ে ভাবা হচ্ছে বলে জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খান, উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মোঃ তাজুল ইসলাম, (দক্ষিণ) মোঃ আবু তারেক, (সিটিএসবি) আবুল বাশার মোহাম্মদ আতিকুর রহমান এবং ট্রাফিক বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার সুদর্শন কুমার রায়।
উপস্থিত ছিলেন খুলনায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।