
(১ বছর আগে) ১২ জুলাই ২০২৫, শনিবার, ৭:০৭ অপরাহ্ন
বিএনপির কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মানবাধিকার বিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার এম এ সালাম বলেছেন, “তারেক রহমান তাঁর ক্যারিশম্যাটিক নেতৃত্বে প্রবাসে থেকেও দেশের ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলন শক্ত হাতে চালিয়ে গেছেন। জনগণের অধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দীর্ঘ সংগ্রামই তাঁকে বাংলাদেশের মহানায়কে পরিণত করেছে। শনিবার (১২ জুলাই) দুপুরে সিলেটের একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত “জুলাই গণঅভ্যুত্থান: আগামীর বাংলাদেশ ও তারেক রহমান” শীর্ষক মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন। ব্যারিস্টার সালাম বলেন, তারেক রহমানের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে গড়ে উঠেছে ফ্যাসিবাদবিরোধী ঐক্য। তাঁর ‘টেইক ব্যাক বাংলাদেশ’, ‘যদি তুমি ভয় পাও তবে তুমি শেষ, যদি তুমি রুখে দাঁড়াও তবে তুমি বাংলাদেশ’—এই স্লোগানগুলো শুধু রাজনৈতিক বার্তা নয়, বরং আন্দোলনের অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে। অবশেষে এই ঐক্যই শহর থেকে গ্রাম, স্কুল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ছড়িয়ে পড়ে এবং ফ্যাসিবাদের পতনের ভিত্তি গড়ে তোলে। তিনি আরও বলেন, “২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণ একটি নতুন দিগন্তে প্রবেশ করেছে। শহীদদের আত্মত্যাগ জাতি চিরকাল স্মরণ রাখবে। গুম, খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার পরিবারগুলোকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও পুনর্বাসনের আওতায় আনতে হবে।মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ড. এনামুল হক চৌধুরী ও তাহসিনা রুশদীর লুনা। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সিলেট শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. আনোয়ার হোসেন চৌধুরী, সচিব প্রফেসর মামুন আকবর চৌধুরী, ডা. শামীমুর রহমান, বিএনপি নেতা রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, শাবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. মোজাম্মেল হক, দৈনিক জালালাবাদ সম্পাদক মুকতাবিস উন নূরসহ জেলা ও মহানগর বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কবি ও আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুল মুকিত অপি। শুরুতে ব্যারিস্টার এম এ সালামের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি তুলে ধরেন দেশ টিভির সিলেট প্রতিনিধি খালেদ আহমদ। অনুষ্ঠানে পুলিশের গুলিতে নিহত সাংবাদিক এটিএম তুরাব এবং সিলেট-৩ আসনের অন্তর্গত ‘জুলাই যুদ্ধা’দের সম্মাননা প্রদান করা হয়।