
(১ বছর আগে) ১৫ জুলাই ২০২৫, মঙ্গলবার, ১১:০০ অপরাহ্ন
বাগেরহাটে দুর্নীতির মাধ্যমে জ্ঞাত আয়ের বাইরে ২ কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগে খাদ্য গুদাম পরিদর্শক অচীন কুমার দাসের সম্পদ ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বাগেরহাট সিনিয়র স্পেশাল জজ (জেলা ও দায়রা জজ) আদালত এ আদেশ দেন। দুদক সূত্রে জানা যায়, সাবেক আওয়ামী লীগ সরকার আমলে ক্ষমতার অপব্যবহার করে অচীন কুমার দাস নিজ, তার মা কল্পনা রানী দাস ও দুই স্ত্রী সংগীতা সেন ও ঝিমি মণ্ডলের নামে বিপুল সম্পদ অর্জন করেন। তিনি একসময় সাবেক সংসদ সদস্য মীর শওকাত আলী বাদশার ব্যক্তিগত সহকারী (এপিএস) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। দুদক বাগেরহাট জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. সাইদুর রহমান জানান, ২০২৪ সালের শেষ দিকে অচীনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আসে। অনুসন্ধানে দেখা যায়, খুলনার বটিয়াঘাটা, বাগেরহাট সদর ও পৌর এলাকার সরুই ও খলসী পাঁচলী এলাকায় প্রায় ২ কোটি টাকার জমি ও বাড়ি রয়েছে তার দখলে, যার বৈধ উৎস পাওয়া যায়নি। আদালতের নির্দেশে: অচীনের নামে থাকা সব জমি ও বাড়ি ক্রোক করা হয়েছে। মা কল্পনা রানী দাসের নামে একটি গাড়ি ও ৫ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র অবরুদ্ধ করা হয়েছে। প্রথম স্ত্রী সংগীতা সেনের নামে ২০ লাখ টাকার পারিবারিক সঞ্চয়পত্র এবং দ্বিতীয় স্ত্রী ঝিমি মণ্ডলের নামে একটি টয়োটা গাড়িও ফ্রিজ করা হয়েছে। এছাড়া, মানবতাবিরোধী অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আওয়ামী লীগকে অর্থ সরবরাহের অভিযোগে অচীন কুমার দাস ও তার দ্বিতীয় স্ত্রীর নামে আরও একটি মামলা চলমান রয়েছে বলে দুদক সূত্রে জানা গেছে।