
(৩ বছর আগে) ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, রবিবার, ৭:২১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ আপডেট: ৭:২৩ পূর্বাহ্ন
ঢাকা: বিএনপি নেত্রী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তিসহ সারাদেশে বিদ্যুত, গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদ ও ১০ দফা দাবিতে (০৪ ফেব্রুয়ারি শনিবার) সারা দেশের ন্যায় বিএনপির নেতৃত্বে রাজশাহী মহানগরীর সোনাদিঘির মোড়ে সমাবেশে হয়। সেখানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মেয়র মির্জা আব্বাস বলেছেন, এক সময় এই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি ছিল জামায়াত ও আওয়ামী লীগের। এই আওয়ামী লীগ ও জামায়াত মিলে বলেছিল 'এই সময়ে দরকার তত্ত্বাবধায়ক সরকার।' প্রধানমন্ত্রী এক সময় বলেছিলেন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চিরদিনের জন্য থাকতে হবে। আজ দেশের জনগণও চায় জাতীয় নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে। কারন তারা দেখেছে দলীয় সরকারের অধীনে কোন নির্বাচন সুষ্ঠ হয়নি। কিন্তু তাদের মুখে আজ অন্য কথা। কেননা তাদেরকে ক্ষমতায় জোর করে থাকতে হবে।
একই দিনে শনিবার (৪ ফ্রেব্রুয়ারী) বন্দর নগরী চট্টগ্রামের আন্দরকিল্লা মোড়ে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত শান্তি সমাবেশে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, সংসদীয় গণতান্ত্রিক সকল দেশে যেই সরকার ক্ষমতায় থাকে তারাই নির্বাচনকালীন দায়িত্ব পালন করে। আমাদের দেশেও নির্বাচনকালীন জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকবেন। তিনি উদাহরন দিয়ে বলেন, দুনিয়ার কোথাও তত্ত্বাবধায়ক সরকার নেই, আছে একমাত্র পাকিস্তানে। বাংলাদেশ পাকিস্তানকে অনুকরণ করেনা। তাই বাংলাদেশে আর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সুযোগ নেই।
দেশের প্রধান দুই দলের এমন পাল্টাপাল্টি বক্তব্য আর সমাবেশ ঘিরে সাধারন মানুষের মধ্যে দেখা দিয়েছে উদ্বেগ উতকন্ঠা। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন কি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে না বর্তমান সরকারের অধীনে হবে তা নিয়ে চলছে আলোচনা সমালোচনা। ২০২৩ সালের শেষ কিংবা ২০২৪ সালের শুরুতেই হতে পারে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এমনটিই বলেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।