
(১ বছর আগে) ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫, শনিবার, ১১:০৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ আপডেট: ১১:৪২ অপরাহ্ন
হবখালী হামিদুনেচ্ছা মাধ্যমিক বিদ্যালয়
নড়াইলের হবখালী হামিদুনেচ্ছা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু ছামীন বিশ্বাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তিনি সহকারী শিক্ষিকা ঝুমা রানী বোসকে স্কুলে না আসার পরও হাজিরা খাতায় জাল স্বাক্ষর করিয়েছেন।
অভিযোগ দায়ের করেছেন একই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এম এম আছাদুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা), নড়াইল বরাবর। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ঝুমা রানী বোস দীর্ঘদিন স্কুলে অনুপস্থিত থেকে বেতন ভাতা গ্রহণ করছেন। প্রধান শিক্ষক বিগত এক বছর ধরে ঝুমা রানীকে মেডিকেল ছুটি দিয়ে আসছেন। মাঝে মাঝে ঝুমা রানীর স্বামী অমল কুমার নাগও হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেন। সর্বশেষ ২৭–৩১ জুলাই হাজিরা খাতায় জাল স্বাক্ষর করার ঘটনা ঘটে।
বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির অভিভাবক সদস্য কাজী ইমদাদুর রহমান বলেন, “নতুন কমিটি গঠনের পর সহকারী শিক্ষিকাকে আমরা স্কুলে দেখিনি। প্রধান শিক্ষকের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানিয়েছেন ঝুমা রানী বোস বিধি মোতাবেক ছুটিতে আছেন।”
একাধিক শিক্ষার্থী ও শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ঝুমা ম্যাডামকে দীর্ঘসময় স্কুলে দেখা যায়নি। প্রধান শিক্ষক অন্য শিক্ষকদের বেতন কর্তন করলেও, ঝুমা ম্যাডামের ক্ষেত্রে নিয়ম ভেঙে সুবিধা দেওয়া হয়েছে।
সহকারী শিক্ষক এম এম আছাদুজ্জামান বলেন, “প্রধান শিক্ষক আবু ছামীন বিশ্বাসের স্বেচ্ছাচারিতা ও ক্ষমতার অপব্যবহারের কারণে স্কুলটি ধ্বংসের পথে। প্রধান শিক্ষককে খুশি না করলে কারও বেতন কাটা হয়, কিন্তু ঝুমা ম্যাডামের ক্ষেত্রে অবৈধ সুবিধা প্রদান করা হয়েছে।”
প্রধান শিক্ষক আবু ছামীন বিশ্বাস সাংবাদিকদের বলেন, “ঝুমা রানী বোস দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকায় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের পরামর্শে তার হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করানো হয়েছে।”
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আনোয়ার হোসেন বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, “প্রধান শিক্ষক আমার কাছে এসেছিলেন, আমি তাকে ম্যানেজিং কমিটির সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দিয়েছি।”