
(১ বছর আগে) ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫, বৃহস্পতিবার, ৬:৫২ অপরাহ্ন
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিকৃবি) বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত তারুণ্যের উৎসব ২০২৫ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি সিকৃবি উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ আলিমুল ইসলাম বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন সময়ের প্রধান দাবি। তিনি জানান, শুধু খাদ্যের প্রাচুর্য নয়, নিরাপদ খাদ্যের নিশ্চয়তা প্রদান জরুরি। আগামী প্রজন্মকে সুস্থ ও শক্তিশালীভাবে গড়ে তুলতে নিরাপদ খাদ্যের বিকল্প নেই।
প্রধান অতিথি তরুণদের উদ্দেশ্যে বলেন, চাকরির পিছনে ছোটা নয়, বরং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করো। উদ্ভাবনী শক্তি, জ্ঞান ও পরিশ্রমই বাংলাদেশকে একটি আত্মনির্ভরশীল ও উন্নত রাষ্ট্রে রূপান্তরিত করতে পারে। তিনি আরও বলেন, দেশের তরুণরা সবচেয়ে বড় শক্তি হলেও বর্তমানে তারা শুধুমাত্র চাকরির জন্য ছুটছে। আমাদের মানসিকতা পরিবর্তন করে চাকরি দেওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি করতে হবে।
অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) এর আয়োজনে এবং সিকৃবি সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয়। বিএআরসি’র নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. নাজমুন নাহার করিম সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন সিকৃবি ট্রেজারার প্রফেসর ড. এ.টি.এম মাহবুব-ই-ইলাহী, কৃষি মন্ত্রনালয়ের যুগ্ম সচিব ড. মোঃ লুৎফুর রহমান, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সামিউল আহসান তালুকদার এবং প্রক্টর প্রফেসর ড. জসিম উদ্দিন আহাম্মদ।
সেমিনারে বিএআরসি’র কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ আব্দুস সালাম মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। এছাড়া সারাদেশ থেকে আগত ৮ জন সফল কৃষি উদ্যোক্তা তরুণদের জন্য তাদের সফলতার গল্প তুলে ধরেন।
বক্তারা বলেন, কৃষিক্ষেত্রকে আধুনিক, নিরাপদ ও টেকসই করার জন্য উদ্ভাবন, প্রযুক্তি ব্যবহার ও উদ্যোক্তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশে ধানের উৎপাদন ৩.৬ গুণ, আলু ১২.৩ গুণ এবং সবজি ৬.৮২ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ডিজিটাল কৃষি ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ভবিষ্যতে কৃষিক্ষেত্রকে আরও উৎপাদনশীল ও টেকসই করবে।
প্রায় ৬০০ জন শিক্ষার্থী, তরুণ উদ্যোক্তা, শিক্ষক, কর্মকর্তা, বিজ্ঞানী ও অন্যান্য প্রতিনিধি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।