
(১ বছর আগে) ৯ অক্টোবর ২০২৫, বৃহস্পতিবার, ৮:০২ অপরাহ্ন
খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও খুলনা-২ আসনে ধানের শীষে মনোনয়ন প্রত্যাশী শফিকুল আলম তুহিন বলেছেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, গত ১৫ বছরে পতিত স্বৈরাচারের আমলের সকল অন্যায়, অত্যাচার, হামলা, মামলা, জুলুম, নির্যাতনের প্রতিশোধ হবে ৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে। ৩১ দফার মধ্যেই রয়েছে রাষ্ট্র মেরামতের যাবতীয় উপাদান। ৩১ দফা শুধু বিএনপির নয়, এটা বিগত স্বৈরাচার আমলে রাজপথে থাকা সকল গণতন্ত্রকামী রাজনৈতিক দলের। বড় দল হিসেবে এর বাস্তবায়নের দায় বিএনপির ওপর বর্তায়।
বৃহস্পতিবার (০৯ অক্টোবর) দুপুরে নগরীতে গণসংযোগ ও বিএনপি প্রদত্ত রাষ্ট্র মেরামতে ৩১দফার প্রচারপত্র বিলিকালে গণমাধ্যম কর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন মানুষ এখন অনেক সচেতন। তারা ভালোমন্দের বিচার করতে জানে। ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী এখন নতুন বাংলাদেশ গড়বার সময়। যে বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেন ১৮ কোটি জনতা। যে বাংলাদেশে মানুষে মানুষে কোনো বৈষম্য থাকবে না। ধর্মীয় বিশ্বাস কিংবা রাজনৈতিক দর্শনের কারণে কোনো মানুষের মধ্যে পার্থক্য করা হবে না-এমন বাংলাদেশই আজ মানুষের প্রত্যাশা। সেই প্রত্যাশা পূরণের জন্য ১৮ কোটি মানুষ যে ব্যক্তির দিকে তাকিয়ে আছে তিনি আমাদের প্রিয় নেতা তারেক রহমান। কিন্তু, তারেক রহমানের পক্ষে এই ১৮ কোটি জনতার স্বপ্ন পূরণ করা কখনোই সম্ভব হবে না যদি বিএনপি কর্মীরা তার সাথে সহযাত্রী না হন। সবাই গত ১৫বছরে তারেক রহমানের সহযাত্রী ছিলেন বলেই শেখ হাসিনাকে পদত্যাগ করে বাংলাদেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে হয়েছে। শফিকুল আলম তুহিন আরো বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা এবং বেগম খালেদা জিয়ার ভিশন ২০৩০ সাল দিয়ে ছিলেন। দেশে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল মানুষের সাম্য মৌলিক অধিকার মানবাধিকার এবং গণতন্ত্রের অধিকারের জন্য। কিন্তু গেল দুঃশাসনের স্বৈরাচার পতিত সরকার মুক্তিযুদ্ধের যত অধিকার ছিল বাংলাদেশের জনগণের সব অধিকারকে ধ্বংস করে দিয়েছে।
নগরীর পাওয়ার হাউজ মোড় থেকে শুরু হয়ে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কার্যক্রমটি সঙ্গীতার মোড়, শেখপাড়া মেইন রোড হয়ে শেখপাড়া বাজার অতিক্রম করে আগারখান স্কুল মোড়ে গিয়ে সমাপ্ত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- কে.এম. হুমায়ুন কবির, হাফিজুর রহমান মনি, আসাদুজ্জামান আসাদ, জাকির ইকবাল বাপ্পি, নাসির উদ্দিন, একরামুল কবির মিল্টন, ইশতিয়াক উদ্দিন লাভলু, সাঈদ হাসান লাভলু, রকিবুল ইসলাম মতি, আবু সাঈদ শেখ, মনিরুজ্জামান মনি, মোঃ হাবিবুর রহমান, মাসুদুল হক হারুন, ইফতেখার হোসেন বাবু, কাজী নজরুল ইসলাম, শেখ আজিজুর রহমান, আবুল ওয়ারা, জাহাঙ্গীর হোসেন, বাইজিদ হোসেন, কাজী মিজানুর রহমান, আরিফুল ইসলাম বিপ্লব, আমিন আহমেদ, মোল্লা নুরুল ইসলাম, জামির হোসেন দীপু, বক্কার মীর, শেখ সারোয়ার, কাদের মল্লিক, আফজাল হোসেন, শেখ মনিরুল ইসলাম, মইনুল ইসলাম কিরণ, আহসান হাবিব বাবু, আবু সায়েম, ইয়াজুল ইসলাম এপোলো, জিয়াউর রহমান খান আপন, এ্যাড. মিজানুর রহমান বাবু, সিদ্দিকুর রহমান, রমজান খলিফা, সৈকত চৌধুরী, আমিন আহমেদ, নাসরিন হক শ্রাবণী, হাসিবুর রহমান, রুবেল জমাদ্দার, সৈয়দ নাদিম আশফাক, আবুল কালাম আজাদ, আবুল কালাম আজাদ লাভলু, আব্দুল আলিম, আতিয়ার রহমান, মামুনুর রশিদ, দেলোয়ার হোসেন, ফিরোজ আহমেদ, মোঃ আতিক ও কাকলি খান প্রমুখ।