banglahour

গোলাম আযমকে মরণোত্তর একুশে পদক প্রদানের দাবি জামায়াতের

রাজনীতি | নিজস্ব প্রতিবেদক

(৩ বছর আগে) ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, সোমবার, ৮:৪৭ অপরাহ্ন

ঢাকা : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর, সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, ৫২র ভাষা আন্দোলন ছিল নিজ ভাষায় কথা বলার অধিকারের আন্দোলন। কিন্তু আজকের পরিস্থিতি তারচেয়ে ভয়াবহ। এখনতো কথা বলারই অধিকার নেই। ইজ্জত রক্ষার অধিকার নেই। ভাত, কাপড়, শিক্ষা সহ সব কিছুর অধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছে। সব কিছুর অধিকার আজ ভুলুন্ঠিত। তিনি বলেন, সমাজকে পরিপূর্ণভাবে পরিবর্তন করতে হলে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সৎ ও যোগ্য নেতৃত্বের হাতে তুলে দিতে হবে। তা না হলে সত্যিকারভাবে মানুষের কোন কল্যাণ হবে না। তিনি একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে আজকে এই মৌলিক পরিবর্তনের জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার আহবান জানান। 

তিনি ভাষা আন্দোলনের অগ্রসেনানী মরহুম অধ্যাপক গোলাম আযমকে মরনোত্তর একুশে পদক দেয়ার দাবী জানিয়ে বলেন, ইতিহাসে প্রত্যেকের অবদান সঠিকভাবে তুলে ধরতে হবে। ইতিহাসের বিকৃতি অন্যায়, অগ্রহনযোগ্য।

আজ সোমবার রাজধানীর একটি মিলনায়তনে মহান একুশে ফেব্রুয়ারি ও আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। 

কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর নূরুল ইসলাম বুলবুলের সভাপতিত্বে এবং কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরার সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর আবদুস সবুর ফকির, কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরার সদস্য অধ্যাপক মোকাররম হোসাইন, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি কামাল হোসাইন, মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য আবদুস সালাম প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

তিনি ভাষা আন্দোলনে অধ্যাপক গোলাম আযমের ভূমিকার কথা তুলে ধরে বলেন, ইতিহাসে প্রত্যেকের অবদান সঠিকভাবে তুলে ধরতে হবে। প্রতিবছরই একুশে পদক দেয়া হয়। মরহুম অধ্যাপক গোলাম আযম এই পদক পাওয়ার অধিকার রাখেন। তিনি অধ্যাপক গোলাম আযমকে মরনোত্তর একুশে পদক দেয়ার দাবী জানান।

সভপতির বক্তব্যে নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ভাষা সেনানী মরহুম অধ্যাপক গোলাম আযম দেশের সম্পদ। দেশে সৎ, যোগ্য নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠায়, রাজনীতিকে ঢেলে সাজানোর জন্য তিনি আমৃত্যু লড়াই করেছেন। জনগন তার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি আদায় করবে ইনশাআল্লাহ। তিনি সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চালুর দাবী জানিয়ে বলেন, জ্ঞান বিজ্ঞানের বিভিন্ন গ্রন্থ বাংলায় অনুবাদ করে জনগনের দোরগোড়ায় পৌছে দিতে হবে। 

তিনি বলেন, আজকে মানুষের ভোট ও ভাতের অধিকার নেই, মৃত্যুর গ্যারান্টি নেই। একুশের চেতনায় শপথ নিতে হবে, জনগনের ন্যায্য অধিকার আদায়ের আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। তিনি আরো বলেন, বর্তমান অবৈধ, ফ্যাসিষ্ট সরকার ক্ষমতায় থাকলে জনগনের কোন অধিকার প্রতিষ্ঠা হবে না। এই অপশক্তির হাত থেকে জাতিকে মুক্ত করতে কেয়ারটেকার সরকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বর্তমান সরকারকে বিদায় করে জনগনের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, ৫২ ভাষা আন্দোলন পরবর্তী সকল লন সংগ্রামের সূতিকাগার। একুশের মূল চেতনা অন্যায়ের কাছে মাথানত না করা। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার আমাদের কথা বলার অধিকার থেকে বজ্ঞিত করেছে। নিবর্তনমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে। তিনি ভোটের অধিকার, ভাতের অধিকার, কথা বলার অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে সবাইকে এগিয়ে আসার আহবান জানান।

উপদেষ্টা সম্পাদকঃ হোসনে আরা বেগম
নির্বাহী সম্পাদকঃ মাইনুল ইসলাম
ফোন: +৮৮০১৬৭৪০৬২০২৩
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম
ফোন: +৮৮ ০১৭ ১২৭৯ ৮৪৪৯
অফিস: ৩৯২, ডি আই টি রোড (বাংলাদেশ টেলিভিশনের বিপরীতে),পশ্চিম রামপুরা, ঢাকা-১২১৯।
যোগাযোগ: তাহিরুল ইসলাম, ০১৭৭৮০০৪৭০০ contact@banglahour.com
অফিসিয়াল মেইলঃ banglahour@gmail.com
banglahour
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল