
(১ বছর আগে) ২৬ অক্টোবর ২০২৫, রবিবার, ২:৪৭ অপরাহ্ন
ফরিদপুরে ছাত্রদল নেতা সোহেল মুন্সির নেতৃত্বে বিধবার বাড়িতে হামলা অর্থ ও স্বর্ণ লুটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে কোতয়ালী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে ভুক্তভোগী রাশিদা বেগম।
শুক্রবার বিকাল ৫ টার দিকে ফরিদপুর সদরের কানাইপুর ইউনিয়নের কাশিমাবাদ এলাকার মৃত চান মিয়ার বাড়িতে এ হামলা চালানো হয়। এ সময় মৃত চান মিয়ার বিধবা স্ত্রী এর ভারতে গিয়ে চিকিৎসার জন্য জমানো আড়াই লক্ষ টাকা, তার মেয়ের গলা থেকে স্বর্ণের চেন লুট করা হয়। একই সাথে বাড়িতে ভাংচুর ও পরিবারের সদস্যদের পিটিয়ে আহত করে লুটকারীরা।
ফরিদপুর কোতয়ালী থানা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক সোহেল মুন্সী দেশীয় অস্ত্র ও শতাধীক সন্ত্রাসী নিয়ে এ হামলা চালায় বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীর।
বিধবা রাশিদা বেগম বলেন, ‘শুক্রবার দুপুরের পর আমি বাড়িতে ছিলাম না, কানাইপুর ছিলাম। তখন আমি খবর পাই আমার বাড়ির সামনে ভেজাল হচ্ছে। আমি খবর পেয়ে বাড়িতে এসে দেখি স্থানীয় মেম্বার কামাল কয়েকজনকে নিয়ে সালিশ করছে আমার বাড়ির সামনে। এসময় মেম্বার সালিশ করে দু পক্ষ কে মিলমিশ করিয়ে দিলে আমি বাড়ি চলে যাই। এর পরপর বিকাল সাড়ে ৪ টা ৫ টার দিকে সোহেল মুন্সির নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমার বাড়িতে হামলা চালায়’।
রাশিদার ছেলে আহাদ মিয়া বলেন, ‘কানাইপুর বাজারে রামখন্ড গ্রামের রফিকের সাথে আমাদের গ্রামের সেলিমের সাথে চলাচলের সময় সাইড দেওয়া নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। সেসময় তাদের মধ্যে হাতাহাতিও হয়। সে ঘটনায় রফিককে আমাদের বাড়ির সামনে দাড় করিয়ে জিজ্ঞেস করা হলে রফিক সোহেল মুন্সি কে খবর দিয়ে আনে। তখন স্থানীয় মেম্বার বিষয়টি মিমাংসা করে দেন। তার কিছু পরেই সোহেল মুন্সি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমার বাড়িতে হামলা চালায়’।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত সোহেল মুন্সির সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয় নি।
স্থানীয় মেম্বার কামাল হোসেন মোল্লা বলেন,‘ বিধবা রাশিদা বেগমের বাড়িতে হামলার ঘটনাটি খুবই নেক্কার জনক ঘটনা ঘটিয়েছে সোহেল মুন্সি। রাশিদার সাথে রফিক ও সেলিমের ঘটনার সাথে কোন কোন ভাবেই সম্পৃক্ততা নেই। বিধবার বাড়িতে হামলার ঘটনাটি সোহেল মুন্সির পরিকল্পিত ঘটনা।’
ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ওসি অপারেশন আব্দুল্লাহ বিশ্বাস বলেন,‘ বিবদমান উভয় পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। আমরা বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত অপরাধীদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি।’