
(১০ মাস আগে) ২৩ নভেম্বর ২০২৫, রবিবার, ৩:৩৯ অপরাহ্ন
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আনারুল ইসলাম হকা ডাক্তারের বিরুদ্ধে সরকারি গাছ কেটে নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (২২ নভেম্বর) সকাল থেকে বিরতিহীনভাবে সরকারি গাছ কাটার ঘটনা ঘটে। রোববার (২৩ নভেম্বর) সকালে হরিহরনগর-নবদুর্গাপুর সড়কের পাশে অর্ধেক কাটা অবস্থায় একটি নিম গাছ ও একটি শিশু গাছ পড়ে থাকতে দেখা যায়। গ্রামবাসীর উপস্থিতি টের পেয়ে গাছ কাটায় জড়িতরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
গ্রামবাসীরা জানান, এর আগেও হকা ডাক্তারের বিরুদ্ধে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ একাধিকবার উঠেছে।
অভিযোগের বিষয়ে আনারুল ইসলাম হকা ডাক্তার বলেন, “আমি এলাকার সব গাছ দেখাশোনা করি। সামাজিক বনায়ন প্রকল্পের গাছগুলো আমাদের সমিতির সহায়তায় লাগানো হয়েছিল, আর আমি সেই সমিতির সভাপতি। বেনীপুর মাদ্রাসার কয়েকজন কর্মচারী আর্থিক সহযোগিতা চাইলে আমি তাদেরকে একটি গাছ কাটার অনুমতি দিই। কয়টা গাছ কেটেছে তা আমি জানি না। কাটা গাছ থেকে বন বিভাগ ৫৫% কমিশন পায়, আমরা পাই ৪৫%। এর আগেও করোতোয়া রোডের গাছ ১ লাখ ৩০ হাজার টাকায় বিক্রি করেছি। বিষয়টি বন বিভাগের কাজল ভাই জানেন।”
এ বিষয়ে জীবননগর উপজেলা বন কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম বলেন,
“সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ পাওয়ার পর আমরা দুইজন কর্মী পাঠাই। তারা现场 গিয়ে দেখেছে—সরকারি জমির গাছ কাটার কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি। যারা এতে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”