
(৭ মাস আগে) ১১ জানুয়ারি ২০২৬, রবিবার, ১:৩৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ আপডেট: ২:৩২ অপরাহ্ন
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান বলেছেন, দুর্নীতি বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সংকট। যদি দুর্নীতিবিহীন ও সৎ ব্যক্তিদের জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচন করা যায়, তাহলে দেশ দ্রুত এগিয়ে যাবে।
শনিবার এক আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, “দুর্নীতি শুধু অর্থনৈতিক অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করে না, এটি রাষ্ট্রের নৈতিক ভিত্তিকেও দুর্বল করে দেয়। তাই নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সৎ ও যোগ্য প্রার্থীদের বেছে নেওয়ার বিকল্প নেই।
তিনি বলেন, জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রার্থীদের সম্পদের তথ্য সঠিকভাবে যাচাই করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ প্রসঙ্গে তিনি ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের উদাহরণ টেনে বলেন, ২০০৮ সালের নির্বাচনের সময় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে সম্পদ বিবরণী জমা দিয়েছিলেন, তাতে মিথ্যা তথ্য ছিল। যদি সে সময় এই তথ্যগুলো যথাযথভাবে যাচাই করা হতো, তাহলে তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণের যোগ্যতা হারাতেন।
দুদক চেয়ারম্যান আরও বলেন, আমরা এমন কাউকে নির্বাচিত দেখতে চাই না, যিনি জনগণের কাছে মিথ্যা তথ্য দিয়ে জনপ্রতিনিধি হওয়ার চেষ্টা করেন। মিথ্যা তথ্য প্রদান করা শুধু আইনগত অপরাধই নয়, এটি জনগণের সঙ্গে প্রতারণার শামিল।
তিনি জানান, আগামী দিনে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের সম্পদ বিবরণী আরও কঠোরভাবে যাচাইয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। এতে করে দুর্নীতিবাজ ও অসৎ ব্যক্তিদের রাজনীতিতে প্রবেশ রোধ করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
দুদক চেয়ারম্যান বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই শুধু দুদকের একার পক্ষে সম্ভব নয়। রাজনৈতিক দল, নির্বাচন কমিশন এবং সর্বোপরি জনগণকে সচেতন হতে হবে। সৎ মানুষকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করলেই দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র গঠন সম্ভব।
সভায় উপস্থিত বক্তারা বলেন, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক নির্বাচন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে এবং দেশের উন্নয়ন আরও গতিশীল হবে।