
(৯ মাস আগে) ১১ জানুয়ারি ২০২৬, রবিবার, ৫:১২ অপরাহ্ন
ভৈরবে গত এক সপ্তাহ ধরে তীব্র এলপিজি গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। সরবরাহ ঘাটতির কারণে সিলিন্ডার গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না, আর যেখানে মিলছে সেখানেও সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ ভোক্তারা।
ডিলাররা দাবি করছেন, গ্যাস কোম্পানিগুলো সময়মতো ডেলিভারি না দেওয়ায় এই সংকট তৈরি হয়েছে। তারা সিন্ডিকেট করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি বা দাম বাড়ানোর অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সরবরাহ বন্ধ থাকায় নিজেরাও আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও ভোক্তারা জানান, ভৈরবসহ সারাদেশেই এলপিজি সিলিন্ডারের তীব্র ঘাটতি চলছে। বাসাবাড়ি ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় রান্নাবান্না ব্যাহত হচ্ছে। এতে হোটেল ব্যবসায়ীরা যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, তেমনি গৃহস্থ পরিবারগুলোও পড়েছেন দুর্ভোগে।
খুচরা ব্যবসায়ী আল আমিন ও আসাদ মিয়া বলেন, ডিলারদের কাছ থেকে চাহিদার তুলনায় খুব অল্প গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে। ২০টি সিলিন্ডারের চাহিদা থাকলেও মিলছে মাত্র ১ বা ২টি। ফলে ১ হাজার ৩০০ টাকার সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে প্রায় ১ হাজার ৭০০ টাকায়, যা পরে বাড়তি দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা।
ভোক্তারা অভিযোগ করেন, গ্যাস না পেয়ে রান্না করা কঠিন হয়ে পড়েছে। আবার কখনো পাওয়া গেলেও অতিরিক্ত দামে কিনতে হচ্ছে। তারা দ্রুত সরবরাহ স্বাভাবিক করতে সরকারের কার্যকর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।
এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ এলপিজি গ্যাস বিক্রেতা সমবায় সমিতির নির্বাহী সদস্য ও ডিলার মো. মাসুদুর রহমান মাসুম বলেন, কোম্পানিগুলো গ্যাস সরবরাহ না করায় সংকট দেখা দিয়েছে। সিন্ডিকেটের অভিযোগ সত্য নয়, বরং ব্যবসা বন্ধ থাকায় তারাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে এম মামুনুর রশিদ জানান, এলপিজি সিলিন্ডার অতিরিক্ত দামে বিক্রি রোধ এবং প্রকৃত সংকট পরিস্থিতি যাচাই করতে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।