
(৩ বছর আগে) ৯ মার্চ ২০২৩, বৃহস্পতিবার, ৩:৩১ অপরাহ্ন
ঢাকা: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ২০৪১ সালের উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশের সাথে সামঞ্জস্য রেখে নগরায়ন হতে হবে। বাসযোগ্য ঢাকার জন্য বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পয়ঃনিষ্কাশন, খোলা জায়গা, খেলার মাঠ থেকে শুরু করে জনসংখ্যার ঘনত্ব বিবেচনায় নিয়ে পরিকল্পনা করতে হবে। সবার সচেতনতা এবং সহযোগিতা থাকলে বাসযোগ্য ঢাকা গড়া সম্ভব।
মন্ত্রী আজ বৃহস্পতিবার গুলশানে দুইদিন ব্যাপী ঢাকা উত্তর সিটি স্যানিটেশন ট্রেড ফেয়ার ২০২৩ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।
তিনি বলেন, যত্রতত্র, খেয়ালখুশিমত স্থাপনা তৈরীর সংস্কৃতি থেকে আমাদেরকে বের হয়ে আসতে হবে। এ সময় স্থানীয় সরকার মন্ত্রী নাগরিকদের ইতিবাচক মনোজাগতিক পরিবর্তনের উপর গুরুত্ব দিয়ে বলেন, আইন ও নিয়মকানুনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল নাগরিকরাই উন্নত ও স্মার্ট নগরের প্রধান কারিগর।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১২ সালে পয়ঃনিষ্কাশনের জন্য ঢাকা শহরকে পাঁচটি ক্যাচমেন্ট এলাকায় ভাগ করেন কারণ দুর্বল পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা বাসযোগ্য ঢাকার অন্তরায়। তিনি আরো বলেন, আমাদের মাথাপিছু আয় বাড়ার সাথে সাথে ভোগ করার প্রবণতা বেড়েছে যার ফলে দৈনিক প্রচুর বর্জ্য এবং আবর্জনা তৈরি হচ্ছে। ঢাকা শহরে প্রতিদিন ৬ হাজার টন বর্জ্য উৎপাদিত হয় জানিয়ে তিনি বলেন, এ বর্জ্য সঠিক ব্যবস্থাপনায় আনা না গেলে বাসযোগ্য ঢাকার স্বপ্ন অধরা থেকে যাবে।
এ সময় মন্ত্রী উন্নত বিশ্বের উদাহরণ দিয়ে বলেন, জাপান, সিঙ্গাপুরের মতো দেশও একসময় এ ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হয়েছিল এবং তারা সফলভাবে তা মোকাবেলা করে স্মার্ট নগর গড়তে পেরেছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সমস্ত বাধা-বিপত্তি ও প্রতিবন্ধকতা ডিঙিয়ে আমরাও বাসযোগ্য ঢাকার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করব। তিনি বলেন, বাসযোগ্য ঢাকা বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন সমস্যা এবং তার সমাধান আজ চিহ্নিত। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও অংশগ্রহণের ফলে সমস্যা এবং সমাধানের মধ্যে যোগসূত্র স্থাপন করা গেলেই আমরা আমাদের কাংখিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারব।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোঃ আতিকুল ইসলাম। এ সময় ঢাকার পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা ও সমস্যার সমাধানকল্পে একটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। দৈনিক ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্তের সঞ্চালনায় এতে ঢাকা শহরের নাগরিক সেবা প্রধানকারী বিভিন্ন সংস্থার দপ্তর প্রধানগণসহ নগর পরিকল্পনাবিদ ও বিশেষজ্ঞরা অংশগ্রহণ করেন।