banglahour

যে কথা বলে ঠাকুরগাঁওয়ে ভাইরাল হলেন ইউএনও

সারাদেশ | এমদাদুল ইসলাম ভূট্টো। ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি।

(৫ মাস আগে) ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, সোমবার, ১২:৫০ অপরাহ্ন

সর্বশেষ আপডেট: ১:৫৭ অপরাহ্ন

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. খাইরুল ইসলাম ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরদিন নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসকে ঘিরে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার দেওয়া একটি মন্তব্য ভাইরাল হয়ে পড়লে শুরু হয় সমালোচনা ও পাল্টা প্রতিক্রিয়া।


তার স্ট্যাটাসে তিনি লিখেন—
“গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তিন জন সচিব ফোন করেছে ইলেকশনের দিন জামায়াতের পক্ষে। সরকারের পক্ষে বিএনপির শুভাকাঙ্খী কাউকে চোখেও পড়েনি। অথচ দৌড়াদৌড়ি শুরু হয়ে গেছে ভালো পদের জন্য! লজ্জা!!”
স্ট্যাটাসটি ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক মাধ্যমে অনেকেই প্রশ্ন তোলেন—একজন দায়িত্বশীল সরকারি কর্মকর্তা এ ধরনের মন্তব্য করতে পারেন কি না এবং এটি সরকারি চাকরি বিধিমালা লঙ্ঘন কি না।
জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, খাইরুল ইসলাম ২০২৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় যোগদান করেন। ২০২৫ সালের ১২ অক্টোবর তার বদলির আদেশ হলেও প্রভাবশালী মহলের হস্তক্ষেপে তা স্থগিত হয়।


এ বিষয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) এর সভাপতি ও সাপ্তাহিক সংগ্রামী বাংলা পত্রিকার সম্পাদক আব্দুল লতিফ বলেন, যদি তিনি এমন পোস্ট দিয়ে থাকেন তবে এটি অযোগ্যতার পরিচয় এবং সরকারি চাকরি শৃঙ্খলা লঙ্ঘনের পর্যায়ে পড়ে।
স্ট্যাটাস ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।


শাহরিয়ার আহম্মেদ মুকুট মন্তব্য করেন, “ধিক্কার জানাই ওই সব সচিবকে… ধন্যবাদ ইউএনও দেশপ্রেমিক ভাইকে।”
কৃষিবিদ জাফরুল আলম রিপন বলেন, “ইউএনও সাহেবের মোবাইল চেক করা হোক, ভয়েস রেকর্ড নেওয়া হোক, নইলে এটি ভাইরাল হওয়ার কৌশল।


এম এ রশীদ লিখেছেন, “চাটাচাটি শুরু।”
রাশেদ মাহমুদ মন্তব্য করেন, “এই পোস্ট যেন আবার প্রমোশনের জন্য না হয়।”
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইউএনও মো. খাইরুল ইসলাম বলেন, এটি তার ব্যক্তিগত প্রোফাইলের পোস্ট ছিল এবং তিনি সেটি মুছে দিয়েছেন। সরকারি বিধির মধ্যে পড়ে কি না—এ প্রশ্নে তিনি বলেন, “এটা ব্যক্তিগত।


ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হামিদ বলেন, এ বিষয়ে তার কোনো মন্তব্য নেই। কেউ কেউ পুরনো সখ্যতা থেকে বের হতে কৌশল অবলম্বন করতে পারে।


জেলা প্রশাসক (ভারপ্রাপ্ত) সরদার মোস্তফা শাহিন বলেন, তিনি পোস্টটি দেখেছেন এবং তার কাছে এটি ইতিবাচক মনে হয়নি। তিনি আরও বলেন, কোনো কর্মকর্তাকে কখনো কারো পক্ষে কাজ করার জন্য বলা হয় না।
এ বিষয়ে জামায়াতের একাধিক নেতার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

উপদেষ্টা সম্পাদকঃ হোসনে আরা বেগম
নির্বাহী সম্পাদকঃ মাইনুল ইসলাম
ফোন: +৮৮০১৬৭৪০৬২০২৩
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম
ফোন: +৮৮ ০১৭ ১২৭৯ ৮৪৪৯
অফিস: ৩৯২, ডি আই টি রোড (বাংলাদেশ টেলিভিশনের বিপরীতে),পশ্চিম রামপুরা, ঢাকা-১২১৯।
যোগাযোগ: তাহিরুল ইসলাম, ০১৭৭৮০০৪৭০০ contact@banglahour.com
অফিসিয়াল মেইলঃ banglahour@gmail.com
banglahour
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল