
(৮ মাস আগে) ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, সোমবার, ৪:৩০ অপরাহ্ন
সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেটের বিভিন্ন আসনে কয়েকজন নারী প্রার্থী মনোনয়ন দৌড়ে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলেছিলেন। কেউ মনোনয়ন পেয়েছেন, কেউ পাননি। যারা পাননি, তারা এখন সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি হতে সক্রিয় তৎপরতা শুরু করেছেন। সিলেট বিভাগে সম্ভাব্য দুইটি সংরক্ষিত আসনকে ঘিরে চার জেলাজুড়ে চলছে জোর লবিং ও আলোচনা দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এ পর্যন্ত অন্তত ১০ জন নারী নেত্রীর নাম আলোচনায় রয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির স্থানীয় সরকার বিষয়ক সহসম্পাদক ও সাবেক এমপি শাম্মী আক্তার। দীর্ঘদিন দলের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা রাখায় মাঠের কর্মীদের কাছে তিনি এগিয়ে রয়েছেন বলে জানা গেছে।
আলোচনায় আছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-এর রাজনৈতিক সচিব প্রয়াত হারিছ চৌধুরী-এর কন্যা ব্যারিস্টার সামিরা তানজিন চৌধুরী। গণ-আন্দোলন পরবর্তী সময় থেকে মাঠে সক্রিয় এই নেত্রী সিলেট-৫ আসনে মনোনয়ন দৌড়েও ছিলেন আলোচনায়। স্থানীয় নেতাকর্মীদের একটি অংশ তাকে সংরক্ষিত আসনে দেখতে চায়।সিলেট-৬ আসনে মনোনয়ন প্রতিযোগিতায় ছিলেন সাবেক এমপি মরহুম ড. সৈয়দ মকবুল হোসেন (লেচু মিয়া)-এর কন্যা সৈয়দা আদিবা হোসেন এবং যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সভাপতি প্রয়াত কমর উদ্দিনের কন্যা সাবিনা খান পপি। নির্বাচনী মাঠে শোডাউন ও প্রচারণায় তারা নজর কাড়েন।
এছাড়া আলোচনায় রয়েছেন মহিলা দল নেত্রী ও সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক প্যানেল মেয়র অ্যাডভোকেট রোকশানা বেগম শাহনাজ, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট হাদিয়া চৌধুরী মুন্নী, মহিলা দলের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি সামিয়া বেগম চৌধুরী, গুম হওয়া ছাত্রদল নেতা ইফতেখার হোসেন দিনারের বোন ও জেলা মহিলা দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তাহসিন শারমিন তামান্না, সাবেক এমপি মরহুম দিলদার হোসেন সেলিমের স্ত্রী জেবুন নাহার সেলিম এবং সুনামগঞ্জের সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা নজির হোসেনের সহধর্মিণী সালমা নজির। দলীয় নেতাকর্মীরা বলছেন, সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন শুধু ব্যক্তি নয়, বরং রাজনৈতিক বার্তাও বহন করবে। তৃণমূলের দাবি দুর্দিনে যারা মাঠে ছিলেন, তাদের মধ্য থেকেই যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য নেত্রীকে মনোনয়ন দেওয়া হোক। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কেন্দ্র থেকে ঘোষণার অপেক্ষায় এখন সিলেটের রাজনৈতিক অঙ্গন সরগরম।