
(৬ মাস আগে) ৯ মার্চ ২০২৬, সোমবার, ৬:৪৫ অপরাহ্ন
নড়াইলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা দীপিকা বিশ্বাসের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে পাসপোর্ট ও ভিসা গ্রহণ করে বিনা অনুমতিতে বিদেশ গমনের অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তদন্তে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রনতোষ কুমার সেনের বিরুদ্ধে সমালোচনা করা হচ্ছে।
তদন্তে জানা যায়, দীপিকা বিশ্বাস সরকারি চাকরিতে থাকলেও পাসপোর্টে পেশা ‘গৃহিণী’ উল্লেখ করে দীর্ঘদিন ধরে ভারতে যাতায়াত করেছেন। বিষয়টি নিয়ে ২০২৪ সালের ১০ জানুয়ারি তদন্ত শুরু করে রনতোষ কুমার সেন। ৪ ফেব্রুয়ারি দাখিলকৃত প্রতিবেদনে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষকরা অভিযোগ করেন, রনতোষ কুমার সেন মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে দোষী ব্যক্তিকে নির্দোষ ও নির্দোষ ব্যক্তিকে দোষী করার নজির রাখেন। এর ফলে নড়াইল জেলার প্রাথমিক শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে।
দীপিকা বিশ্বাসের পাসপোর্টে দেখা যায়, ২০১৭ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে একাধিকবার ভারতে যাতায়াত করেছেন। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু হলে তিনি নতুন পাসপোর্ট গ্রহণ করেন।
এ বিষয়ে রনতোষ কুমার সেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমি তার ছুটির বিষয়ে তদন্ত করেছি। পেশা গৃহিণী উল্লেখ করে অবৈধভাবে পাসপোর্ট গ্রহণের বিষয়টি তদন্ত করা হয়নি। প্রয়োজন হলে পুনরায় তদন্ত করা হবে।”