
(৭ মাস আগে) ২৮ মার্চ ২০২৬, শনিবার, ৪:৫৩ অপরাহ্ন
ভৈরবে শিক্ষার্থী কে জোর পূর্বক অপহরণকালে ভূয়া সাংবাদিক সহ ২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলো জসিম মিয়া ও তার সহযোগী রনি মিয়া। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে ভৈরব থানায় হারুন অর রশিদ মোল্লা বাদী হয়ে একটি অপহরণ মামলা রুজু করেছে ।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়,আজ শনিবার দুপুরে শহরের কমলপুর নিউটাউন এলাকায় হারুন অর রশিদ মোল্লার ভাড়া বাসায় ঢুকে বাসা থেকে জোর পূর্বক জসিম ও রনি হারুন অর রশিদের মাদ্রাসা পড়ুয়া শিক্ষার্থী মরিয়ম বেগম ও তাকে মারধোর করে বিভাটেকে তুলে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় তাদের ডাক চিৎকারের স্থানীয়রা এগিয়ে এসে অপহরণকারীদের কবল থেকে উদ্ধার করে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ এসে ২ জনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। স্থানীয়রা আরো জানান, গ্রেফতারকৃতক জসিম মিয়া মাইক্রাে বাস চালক ছিলেন। তেমন লেখা পড়া জানা নেই। কিন্তু গত বছর খানেক৷ যাবত নিজেকে সাংবাদিক পরিচয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। আবার কখনো নিজেকে রাজনৈতিক নেতা দাবি করেন। তার সহযোগী রনি মিয়া ছিনতাই সহ বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত। সে ও নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে নানান অনপকর্ম করে বেড়ায়। এ বিষয়ে হারুন অর রশিদ অভিযোগে৷ জানান, জসিম ও তার সহযোগী শরিফা বেগম একটি প্রতারক চক্র। শরিফা বেগম ভূয়া চেকের মাধ্যমে তার নামে নরসিংদীর আদালতে একটি মামলা দায়ের করে জসিম ও শরীফাসহ প্রতারক চক্রটি তাকে দীর্ঘ দিন ধরে হয়রানি করে আসছে এবং তার কাছে ২ লাখ টাকা চাদাঁ দাবী করে।
এ ঘটনায় তিনি ভৈরব থানায় সাধারণ ডায়েরি ও লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। আজকে বাসায় ঢুকে তাকে ও তার মেয়ে কে মারধোর করে জোর পূবর্বক বিভাটেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার সময় তাদের ডাক চিৎকারে স্থানীয়ধরর সহযোগিতায় পুলিশ এসে তাদের উদ্ধার করে ওই প্রতারক চক্রের জসিম ও তার সহযোগী রনি কে আটক করেছে । আমি তাদের বিরুদ্ধে থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করেছি।
সিংকঃ এ বিষয়ে ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আতাউর রহমান আকন্দ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান,গ্রেফতারকৃত জসিম মিয়া কখনো নিজেকে রাজনৈতিক নেতা কখনো সাংবাদিক পরিচয় দেয় । তাদের বিরুদ্ধে হরুন অর রশিদ বাদী হয়ে ভৈরব থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন । আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।