
(৪ মাস আগে) ১৭ জুন ২০২৬, বুধবার, ৯:১৫ অপরাহ্ন
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার ডুমুরিয়া গ্রামে ববিতা খাতুন পিংকি হত্যা মামলার আসামী রাজনকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৭ জুন) রাত ৩টার সময় নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার মাহামুদপুর এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
রাজন চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর উপজেলার ডুমুরিয়া দক্ষিণপাড়ার মরহুম ইউনুস মন্ডলের ছেলে।
চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে এদিন সন্ধ্যায় এক বার্তায় জানানো হয়, জীবননগরের ডুমুরিয়া দক্ষিনপাড়ার সানোয়ার হোসেনের মেয়ে ববিতা খাতুন পিংকিকে (২৭) রাজন বিভিন্নভাবে উত্যাক্ত করতো। ২০২৬ সালের ১৮ এপ্রিল রাত ৪টার দিকে পিংকির ঘরে রাজন গোপনে প্রবেশ করে। এরপর রাজন ধারালো দা দিয়ে পিংকির তলপেটে নৃশংসভাবে গুরুত্বর জখম করে।
পিংকির পরিবারের লোকজন দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক নাজমুস সাকিব, পিংকির শারীরিক অবস্থায় খারাপ দেখে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন এবং তার মৃত্যুকালীন জবানবন্দি রেকর্ড করেন। জবানবন্দিতে রাজন তাকে কিভাবে জখম করেছিল তা বিস্তারিত উল্লেখ করেন। পরবর্তীতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০২৬ সালের ১৯ এপ্রিল রাত সাড়ে ১২টায় তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় জীবননগর থানার একটি মামলা হয়। মামলা নং-১৬ তারিখ-১৯ এপ্রিল ২০২৬ ধারা-৩০২ পেনাল কোড।
মামলার পর চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খানের সার্বিক দিকনির্দেশনায় ডিটেক্টিভ ব্রাঞ্চ, সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলে কর্মরত সাব-ইন্সপেক্ট জুম্মান খান, সহকারী সাব-ইন্সপেক্টর রজিবুল হক, আরিফুল ইসলাম ও জীবননগর থানায় কর্মরত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সাব-ইন্সপেক্টর পবিত্র কুমার, সহকারী সাব-ইন্সপেক্টর আব্দুস সালামসহ একদল পুলিশ সদস্য অভিযান চালিয়ে রাজনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
হত্যা মামলার আসামী রাজনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।