
(৩ মাস আগে) ১৪ জুলাই ২০২৬, মঙ্গলবার, ৪:০০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ আপডেট: ৪:০৩ অপরাহ্ন
সিলেটের ঐতিহ্যবাহী এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে নববধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের বহুল আলোচিত মামলার রায় ছয় বছর পর ঘোষণা করেছেন আদালত। রায়ে প্রধান আসামি ও তৎকালীন ছাত্রলীগ নেতা সাইফুর রহমানকে মৃত্যুদণ্ড এবং অপর তিন আসামি শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, তারেকুল ইসলাম ও অর্জুন লস্করকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় চার আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার জনাকীর্ণ আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় এমসি কলেজ ক্যাম্পাসে ঘুরতে যাওয়া এক নবদম্পতিকে ছাত্রাবাসে আটকে রাখে তৎকালীন ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা-কর্মী। পরে স্বামীকে জিম্মি করে তার স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। ঘটনাটি দেশজুড়ে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি করলে পুলিশ ও র্যাব অভিযান চালিয়ে মামলার আট আসামিকে গ্রেপ্তার করে।
আদালতে মামলার ২৪ জন সাক্ষীর মধ্যে অধিকাংশই সাক্ষ্য দেন। সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত সাইফুর রহমানকে মৃত্যুদণ্ড এবং রনি, তারেকুল ইসলাম ও অর্জুন লস্করকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবুল হোসেন বলেন, এই রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শাহ মশাহিদ আলী রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে জানান, তারা উচ্চ আদালতে আপিল করবেন। তার দাবি, এ রায়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়নি।
এদিকে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আইনুদ্দিন ওরফে আইনুল, মিসবাউল ইসলাম ওরফে রাজন, রবিউল ইসলাম এবং মাহফুজুর রহমানকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।