
(৮ ঘন্টা আগে) ২৫ জুলাই ২০২৬, শনিবার, ১০:৪১ অপরাহ্ন
নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলার প্রত্যন্ত একটি গ্রামে গড়ে উঠেছে শতবর্ষী লাইব্রেরী। এটি ১৯৩৬ সালে কবি তালিম হোসেন চৌধুরী তার নিজ পিতৃভূমি চাকরাইল গ্রামে প্রতিষ্ঠা করেন।
এখানে নতুন- পুরাতন সব মিলিয়ে প্রায় ২৫থেকে ৩০ হাজার বই সংরক্ষণ করা রয়েছে, এছাড়াও উল্লেখযোগ্য কিছু মূল্যবান বই যেমন তুলোট কাগজের পুথি,তাল পাতার লেখা বই,হাতে লেখা কোরআন শরীফ সহ উল্লেখযোগ্য নওগাঁ জেলার বলিহারের রাজা কৃষ্ণেন্দ্র রায়ের লেখা দুইটি বই ১ম খন্ড ও দ্বিতীয় খন্ড বইটি এই লাইব্রেরীতে সংরক্ষিত রয়েছে।
এই লাইব্রেরীটিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সহ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুল কলেজের ছাত্র ছাত্রী , পুলিশ, প্রশাসনের,কর্মকর্তা সহ, বিভিন্ন দর্শনার্থীরা এই লাইব্রেরীটি পরিদর্শন করে থাকেন।
লাইব্রেরির গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তাজ্ঞান অর্জন: সহজে ও কম খরচে বিভিন্ন বিষয়ের বই পড়ার সুযোগ মেলে।
শান্ত পরিবেশ: পড়ার জন্য নিরিবিলি ও উপযুক্ত পরিবেশ পাওয়া যায়।
একটি আদর্শ লাইব্রেরি বা গ্রন্থাগার হলো জ্ঞানচর্চা, পঠন এবং গবেষণার প্রধান কেন্দ্র। এটি শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের মেধা বিকাশে এবং সঠিক তথ্য লাভে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে
সমস্যা: প্রয়োজনের তুলনায় ভালো মানের বইয়ের সংখ্যা কম। এছাড়া দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে,উইপোকা ও বৃষ্টির পানিতে মূল্যবান বইগুলো নষ্ট হচ্ছে। এখানে আধুনিকতার অভাব ডিজিটাল সেবা, কম্পিউটার বা ইন্টারনেটের সুবিধা নেই।নিয়মিত নতুন বই কেনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত বাজেট নেই।
এখানকার লাইব্রেরীয়ান তুহিন হোসেনের সাথে কথা বলে আমরা জানতে পারি যে
এগুলো সমস্যা সমাধানের উপায় হিসেবে লাইব্রেরীতে আধুনিক কম্পিউটার ও ডিজিটাল ক্যাটালগ সিস্টেম চালু করতে হবে ।নিয়মিত নতুন বই ও প্রয়োজনীয় সাময়িকী সংগ্রহ বাড়াতে হবে।পাঠক বাড়াতে প্রচারণা চালাতে হবে এবং সরকারি ও বেসরকারি অনুদান বাড়াতে বলে এবং স্থানীয় প্রশাসন ও স্থানীয় সংসদ সদস্য মহোদয়ের সহযোগীতা কামনা করেন।
যদি স্থানীয় প্রশাসন সহ সচেতন মহলের ব্যক্তিবর্গরা যদি এগিয়ে আসেন তবেই এই শতবর্ষী লাইব্রেরী ও মূল্যবান বইগুলোকে রক্ষা করা সম্ভব বলে এখানকার স্থানীয় জনগণ মনে করেন।