
(১ ঘন্টা আগে) ৯ আগস্ট ২০২৬, রবিবার, ৬:০৬ অপরাহ্ন
টানা বৃষ্টি, লঘুচাপ ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে দীর্ঘদিন পর্যটকশূন্য থাকার পর সরকারি ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটিকে কেন্দ্র করে আবারও প্রাণ ফিরে পেয়েছে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা হাজারো পর্যটকের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্ট।
আবহাওয়ার উন্নতি এবং আকাশ পরিষ্কার হতে শুরু করায় পর্যটকদের ভিড় বাড়তে থাকে। নীল সাগরের ঢেউ, নির্মল বাতাস ও মনোরম পরিবেশে পরিবার-পরিজন ও প্রিয়জনদের নিয়ে আনন্দঘন সময় কাটাচ্ছেন দর্শনার্থীরা। সৈকতের সুগন্ধা, লাবণী, কলাতলীসহ বিভিন্ন পয়েন্টে দেখা গেছে পর্যটকদের ব্যাপক উপস্থিতি।
পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সৈকতের বিভিন্ন স্থানে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন লাইফগার্ড কর্মীরা। তারা পর্যটকদের নিরাপদ এলাকায় অবস্থান করে সমুদ্রে গোসল করার আহ্বান জানাচ্ছেন।
সুগন্ধা বিচের লাইফগার্ড কর্মী নাসির উদ্দিন জানান, সমুদ্রে নামা পর্যটকদের নিরাপত্তায় তারা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় না যেতে মাইকিং করা হচ্ছে।
এদিকে পর্যটকের চাপ বাড়ায় হোটেল-মোটেল ও রিসোর্টগুলোতেও বেড়েছে বুকিং। কক্সবাজার হোটেল রিসোর্ট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুকিম খান জানান, বর্তমানে হোটেল-মোটেল জোনের ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ কক্ষ বুকিং হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আগামী দিনগুলোতে পর্যটকের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
অন্যদিকে, আগত পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সৈকত ও আশপাশের এলাকায় টহল ও নজরদারি জোরদার করেছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। কক্সবাজার রিজিয়নের ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজমল হোসেন জানান, পর্যটকদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন ভ্রমণ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
পর্যটনসংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আগামী দিনগুলোতে পর্যটকের সমাগম আরও বাড়বে। এতে পর্যটন খাতে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসার পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও গতি সঞ্চার হবে।