
(৩ বছর আগে) ২৩ অক্টোবর ২০২২, রবিবার, ৩:১৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ আপডেট: ৩:১৬ অপরাহ্ন
ঢাকা: আইন করার উদ্দেশ্য হচ্ছে জনগণকে সুরক্ষা দেয়া, এখন সেই আইনই যদি জনগণের স্বাধীনতা কেড়ে নেয়, তাহলে সেটি আর জনগণকে সুরক্ষা দিতে পারে না। ২০১৮ সালে প্রণয়ন করা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় এমন সব ঘটনা, আইনটির অপপ্রয়োগ ও এতে নানা অসামঞ্জস্য রয়েছে।
গতকাল শনিবার (২৩.১০.২০২২) রাজধানীর বনানীতে ঢাকা আর্ট গ্যালারিতে এডিটরস গিল্ড বাংলাদেশ আয়োজিত ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বিতর্ক’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে এসব কথা বলেন বক্তারা।
আর্টিকেল-১৯ এর বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক ফারুক ফয়সাল বলেন, এই আইন অনুযায়ী সাংবাদিকদের আটকের জন্য সরকারের অনুমতি লাগে না, জামিন অযোগ্য এরকম অনেক ধারা আছে। ২০১৮ সালের নির্বাচনের আগে এরকম আইন করা হয়। এখন আবার নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনটি আইনের কথা বলা হচ্ছে। উপাত্ত সংরক্ষণ আইন নামে একটা আইন করা হচ্ছে। এর মধ্যে সরকার সব লোকের ডাটা পাবে। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের সভাপতি জেড আই খান পান্না বলেন, এই আইনের অপপ্রয়োগ বন্ধ করতে হবে।
সাংবাদিক-কলামিস্ট সোহরাব হাসান বলেন, আইনের একটা উদ্দেশ্য থাকে, সেটা হচ্ছে জনগণকে সুরক্ষা করা। এখন সেই আইন যদি জনগণের স্বাধীনতা বন্ধ করতে চায়, তাহলে সেই আইন আর জনগণকে সুরক্ষা দিতে পারে না।