
(২ ঘন্টা আগে) ১৩ আগস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১১:১৬ অপরাহ্ন
রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়ামটি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে। বিগত আমলে স্টেডিয়াম সংস্কারে চরম দূর্নীতির বেড়াজালে পড়ে। সব অবকাঠামো চরম নাজুক অবস্থায়। বিশেষ করে দর্শক গ্যালারী, চেয়ার স্কার্পে পরিনত হয়েছে।
বিএনপি সরকারের ক্রীড়া উন্নয়নের আওতায় খুলনার ভঙ্গুর বিভাগীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম সংস্কার মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সের উন্নয়নে ২০০ কোটি টাকার একটি বড় প্রকল্প হাতে নিয়েছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। প্রকল্পটি বর্তমানে প্রি-একনেকে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।
এদিকে বৃহস্পতিবার স্টেডিয়াম পরিদর্শন শেষে বিসিবির প্রতিনিধি দল জানিয়েছে, বরাদ্দ নিশ্চিত হওয়ার পরই উন্নয়ন ও সংস্কারকাজ শুরু করা সম্ভব হবে।
খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো: আবদুল্লাহ হারুন,খুলনার মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বিসিবির পরিচালক শফিকুল আলম তুহিন,ক্রিকেট বোর্ডের সদস্য চৌধুরী শফিকুল আলম হোসেন সহ নেতৃবৃন্দ সময় উপস্থিত ছিলেন।
দীর্ঘদিনের সংস্কার ঘাটতি কাটিয়ে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত হলে খুলনায় আবারও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ক্রিকেটসহ বিভিন্ন ক্রীড়া আয়োজনের সুযোগ তৈরি হবে।
জাতীয় সংসদের হুইপ,বিএনপি'র ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন,বর্তমান সরকার ক্রীড়া উন্নয়নে ব্যাপক পদক্ষেপ নিয়েছে। তারই অংশ হিসেবে খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়াম ও খুলনা মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সের অবকাঠামো উন্নয়নে বরাদ্দ দিয়েছে।
খুলনার সার্বিক উন্নয়নে বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
বিএনপির তথ্যবিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী (হেলাল) বলেছেন, আওয়ামী সরকারের দেড় যুগে খুলনাবাসী ক্রীড়া–আনন্দ বঞ্চিত ছিল। রাষ্ট্রের বহু টাকা ব্যয়ের পরও শুধু রক্ষণাবেক্ষণের অভাবেই খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়ামটি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। বিএনপির নেতৃত্বে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হলে খুলনায় নিয়মিত আন্তর্জাতিক খেলাধুলা অনুষ্ঠিত হবে।
সম্প্রতি এই ভেন্যুতেই জিয়া ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২৪–এর একটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবার প্রেক্ষিতে খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়াম পরিদর্শন শেষে ব্রিফিংকালে
আজিজুল বারী হেলাল এমপি বলেন, গণ–অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী ছাত্র-জনতা ও দেশের মানুষ বর্তমান সরকারকে অকুণ্ঠ সমর্থন দেওয়ায় গণতান্ত্রিক পরিবেশ বিরাজ করছে। এই গণতন্ত্রকে পুনরুজ্জীবিত করতে যুবসমাজকে এগিয়ে আসতে হবে।
দেশের মানুষ খেলার মাঠ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল। মাঠগুলো মাদকের আড্ডায় পরিণত হয়েছিল। ফ্যাসিবাদের দালালেরা বিভিন্নভাবে ক্রীড়া সংগঠনগুলোকে নির্যাতন ও লুটপাটের প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছিল। আগামীর রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশনায় যুবসমাজকে মাঠে ফেরাতে ও মাদকমুক্ত সমাজ বিনির্মাণে ‘জিয়া ক্রিকেট টুর্নামেন্টের আয়োজন করে।
খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়াম ও মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্স উন্নয়ন হলে ক্রীড়া ক্ষেত্রে খুলনা আরও এগিয়ে যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।