
(৯ ঘন্টা আগে) ১৪ আগস্ট ২০২৬, শুক্রবার, ৪:২৭ অপরাহ্ন
আশুলিয়ার নবীনগর বাসস্ট্যান্ডে চলছে ফিটনেসবিহীন লেগুনা। প্রতিনিয়ত এই মহাসড়কে বাড়ছে সড়ক দূর্ঘটনা।
একটি চক্রের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ দীর্ঘদিনের। স্থানীয় প্রভাবশালী চক্র, লাইনম্যান এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তির ছত্রছায়ায় থাকা ব্যক্তিরা সিন্ডিকেট তৈরি করে এই চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ করে আসছে।
নবীনগর থেকে ধামরাই, জয়পুরা, কালামপুর ও বিরুলিয়াগামী বিভিন্ন সংযোগ রুটে শত শত অবৈধ, রেজিস্ট্রেশন ও ফিটনেসবিহীন লেগুনা চলাচল করে। এগুলোকে সড়কে টিকিয়ে রাখতেই মূলত এই অবৈধ চাঁদা দিতে হয়।চাঁদা আদায়ের ধরন হিসেবে প্রতিটি লেগুনা স্ট্যান্ডে দৈনিক বা ট্রিপ ভিত্তিক নির্ধারিত হারে জিপি (গেট পাস) বা টোকেনের নামে চাঁদা তোলা হয়। নিয়ম না মানলে চালকদের মারধর বা গাড়ি স্ট্যান্ডে ঢুকতে না দেওয়ার ঘটনা ঘটে।
অনুসন্ধানে উঠে আসে নবীনগর থেকে কালামপুর দৈনিক চলাচল করে ৬০ টি লেগুনা।মাসোহারা হিসেবে ১০০ টি লেগুনা গাড়ি থেকে নেওয়া হয় ২৫০০ শত টাকা করে।জয়পুরা থেকে প্রতি গাড়ি থেকে ৩০ টাকা করে নেয় জুলহাস, কালামপুর থেকে সুমন ৩০ টাকা ও সোলাইমান ৩০ টাকা, নবীনগর থেকে ৩০ টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শামীম এর বিরুদ্ধে।
আরও জানা যায়,মাসিক পুলিশ পেমেন্ট হিসেবে বেশকিছু চাঁদাবাজ তারা পুলিশের নামে এই চাঁদার টাকা কালেকশন করে। এই বিষয়ে পুলিশ কিছু না জানলেও পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদাবাজি করছে চক্রটি।
লেগুনা থেকে অতিরিক্ত চাঁদা আদায়ের কারণে মালিক ও চালকরা সাধারণ যাত্রীদের কাছ থেকে বাড়তি ভাড়া আদায় করে। এর ফলে নিয়মিত যাতায়াতকারী সাধারণ মানুষ এবং শিক্ষার্থীরা চরম দুর্ভোগে পড়েন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বলেন,এই লেগুনা গুলো প্রতিদিন মহাসড়কে দূর্ঘটনার পড়ে। সব কয়টি গাড়ি ফিটনেসবিহীন। এদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঝে মাঝে এসব অবৈধ স্ট্যান্ড ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করলেও কিছুদিন পর পুনরায় ভিন্ন নামে বা নতুন চক্রের মাধ্যমে এই চাঁদাবাজি সচল হয়ে ওঠে।সড়ক ও মহাসড়কে এই ধরনের অনিয়ম ও চাঁদাবাজি প্রতিরোধে হাইওয়ে পুলিশ, বিআরটিএ (BRTA) এবং স্থানীয় প্রশাসনের নিয়মিত যৌথ অভিযান ও কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।
এই বিষয়ে সাভার হাইওয়ে পুলিশের ওসি সওগাতুল আলম বলেন,এই লেগুনা গুলো অবৈধ। আমরা খুব তারাতাড়ি অভিযান পরিচালনা করবো।আমাদের পুলিশ সদস্যদের নাম ভাঙ্গিয়ে যারা চাঁদাবাজি করে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে।