
(১৩ ঘন্টা আগে) ১৬ আগস্ট ২০২৬, রবিবার, ১:৫৪ অপরাহ্ন
বাংলা সংগীতে নিজের স্বতন্ত্র পরিচয় তৈরি করার স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে চলেছেন তরুন কন্ঠশিল্পী আর কে তুহিন। গানকে শুধু বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে নয়, বরং নিজের অনুভূতি, চিন্তা ও সৃষ্টিশীলতার প্রকাশ হিসেবে দেখেন তিনি। গান লেখা, সুর করা এবং নিজের কণ্ঠে গান পরিবেশনের মধ্য দিয়ে ধীরে ধীরে তিনি তৈরি করছেন সংগীতে নিজের আলাদা ভুবন।
আর কে তুহিনের কাজের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো—তিনি একই সঙ্গে গীতিকার, সুরকার ও কণ্ঠশিল্পী হিসেবে নিজেকে মেলে ধরতে সক্ষম। বিভিন্ন গানে তাঁর সৃষ্টিশীলতার নানা দিক ফুটে উঠেছে।
নতুন প্রজন্মের শিল্পী হিসেবে আর কে তুহিনের সবচেয়ে বড় শক্তি তাঁর নিজস্ব ভাবনা ও নিরন্তর সৃষ্টির আগ্রহ।
আর কে তুহিনের স্বপ্ন শুধু গান গাওয়া নয়, নিজের গান দিয়ে মানুষের অনুভূতিকে স্পর্শ করা এবং বাংলা সংগীতে নিজের একটি স্বতন্ত্র অধ্যায় তৈরি করা। তাঁর এই নিরন্তর পথচলা, সৃষ্টিশীলতা ও আত্মবিশ্বাসই একদিন তাঁকে আরও বড় পরিসরে পরিচিত করে তুলবে—এটাই প্রত্যাশা।
বাংলা সংগীতাঙ্গনে নিজের কথা, সুর ও কণ্ঠের স্বাতন্ত্র্য নিয়ে এগিয়ে চলেছেন শিল্পী আর কে তুহিন। গান লেখার পাশাপাশি সুর ও কণ্ঠ দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর বহুমুখী কাজের পরিচয় পাওয়া যায় বেশ কয়েকটি গানে। বিভিন্ন গীতিকার ও সংগীত পরিচালকের সঙ্গে কাজ করে তিনি তৈরি করেছেন বৈচিত্র্যময় কিছু গান।
আর কে তুহিনের নিজের কথা, সুর ও কণ্ঠে নির্মিত গানগুলোর মধ্যে রয়েছে “বন্ধু”, “তোমার হাসি” এবং “মায়া”। গানগুলোর সংগীতায়োজনে ছিলেন হৃদয় হাসিন। এসব গানে শিল্পীর নিজস্ব অনুভূতি, ভাবনা ও সুরের সমন্বয় ফুটে উঠেছে।
অন্যদিকে “জলের সারগম” গানটির কথা লিখেছেন মাসুম আউয়াল ও আর কে তুহিন, আর সুর এবং কণ্ঠ দিয়েছেন আর কে তুহিন। গানটির সংগীত পরিচালনা করেছেন কাউসার খান। একই সংগীত পরিচালকের সঙ্গে কাজ করা আরও কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গান হলো “আলো আঁধার”, “দূর আকাশের তারা” এবং “মেঘলা দিন রঙ্গিন”। এর মধ্যে “আলো আঁধার”-এর কথা লিখেছেন জিয়াউল হক শোভন, আর সুর ও কণ্ঠ দিয়েছেন আর কে তুহিন।
আর কে তুহিনের সংগীতভাণ্ডারে রয়েছে ভিন্নধর্মী আরও কিছু গান। “দাড়ি কমা” গানের কথা লিখেছেন রাফিউজ্জামান রাফি, সুর ও কণ্ঠে রয়েছেন আর কে তুহিন এবং সংগীত পরিচালনায় ছিলেন রকি।
এছাড়া “অবুঝ মন” গানটির কথা, সুর ও কণ্ঠ আর কে তুহিনের; সংগীত পরিচালনা করেছেন রাকিব মুরসালিন।
“একা” গানটিতে গীতিকার হিসেবে রয়েছেন মাহবুবা ফারুক, আর সুর ও কণ্ঠ দিয়েছেন আর কে তুহিন। গানটির সংগীত পরিচালনায় ছিলেন রাকিব মুরসালিন।
সব মিলিয়ে আর কে তুহিনের সংগীতযাত্রায় দেখা যায়, কখনো তিনি গীতিকার, কখনো সুরকার, আবার কখনো কণ্ঠশিল্পী হিসেবে নিজেকে তুলে ধরছেন। বিভিন্ন গীতিকার, সুরকার ও সংগীত পরিচালকের সঙ্গে সমন্বয় করে তাঁর এই পথচলা বাংলা মৌলিক গানের পরিসরে একটি স্বতন্ত্র পরিচয় তৈরি করছে।
গান নিয়ে তরুন কন্ঠ শিল্পী আর কে তুহিনের সপ্ন আকাশ সমান। বাংলা আওয়ারকে গান নিয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে যেয়ে বলেন, "গান হলো মনের খোরাক। মন থেকে গান করে যাবো। সময়ের স্রোতে গা ভাসিয়ে না দিয়ে আমি সব সময়ই গুনগত মানের দিকে নজর রেখে খুব যত্ন করে গান করি। আমার ভক্ত শ্রোতারাই আমার গানের প্রান। তাদের ভালোবাসায়ই আমাকে সপ্ন দেখার প্রেরনা যোগায়"।
গানকে নিজের অনুভূতি প্রকাশের মাধ্যম হিসেবে গ্রহণ করে আর কে তুহিন এগিয়ে চলেছেন। তাঁর সৃষ্টিশীলতার এই ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতে আরও নতুন গান ও নতুন শ্রোতার কাছে তাঁকে পৌঁছে দেবে, এমন প্রত্যাশাই সংগীতপ্রেমীদের।