banglahour

সাগরে মাছের সংকট, বৈরী আবহাওয়ায় লোকসানে তীরে ফিরছেন জেলেরা

সারাদেশ | সিয়াম আবদুল্লাহ কলাপাড়া,পটুয়াখালী।

(২ ঘন্টা আগে) ২৭ আগস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৭:০৪ অপরাহ্ন


পটুয়াখালীর কলাপাড়ার মহিপুর-আলীপুর মৎস্যবন্দরে ফিরছে একের পর এক মাছধরা ট্রলার। সাগরে প্রতিকূল আবহাওয়া এবং প্রত্যাশা অনুযায়ী মাছ না পাওয়ায় নির্ধারিত সময়ের আগেই তীরে ফিরতে বাধ্য হচ্ছেন জেলেরা। এতে ট্রলারপ্রতি বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন মালিকরা।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) মৎস্যবন্দর ঘুরে দেখা যায়, খাপড়াভাঙ্গা নদীর তীরে সারি সারি ট্রলার নোঙর করে আছে। কয়েকটি ট্রলার থেকে অল্প পরিমাণ মাছ নামানো হলেও বেশিরভাগ ট্রলারের ঝুড়ি প্রায় খালি। অন্যদিকে কিছু ট্রলার আবার নতুন করে সাগরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

জেলেরা জানান, সাধারণত কয়েক দিনের জন্য সাগরে অবস্থানের পরিকল্পনা করেই ট্রলার নিয়ে যাত্রা করেন তারা। এজন্য আগেই খাবার, বরফ, জ্বালানি ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সংগ্রহ করতে হয়। কিন্তু এবার সাগরে কাঙ্ক্ষিত মাছ না মেলায় সেই হিসাব মিলছে না।

জেলেদের ভাষ্য, সাগরের পরিস্থিতি খারাপ হলে সেখানে অবস্থান করাও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। ফলে মাছ ধরার সুযোগ সীমিত হয়ে যায়। অনেক সময় দুই-তিন দিন পরই নিরাপত্তার কারণে তীরে ফিরতে হচ্ছে। এতে সাগরে যাওয়ার পেছনে করা খরচের বড় অংশই আর উঠে আসছে না।

ট্রলার মালিকদের দাবি, একটি ট্রলার সমুদ্রে পাঠাতে জ্বালানি, বরফ, খাবারসহ বিভিন্ন খাতে উল্লেখযোগ্য অর্থ ব্যয় হয়। স্বাভাবিক সময়ে মাছ বিক্রির আয় থেকে এসব খরচ মেটানো সম্ভব হলেও এবার অল্প মাছ নিয়ে ফেরায় সেই অর্থও উঠছে না। ফলে ধারদেনা করে ট্রলার পরিচালনাকারীরা আরও চাপে পড়েছেন।

মৎস্যবন্দরের ব্যবসায়ীরাও বলছেন, সাগর থেকে মাছের সরবরাহ কমে যাওয়ায় আড়তগুলোতে আগের মতো কর্মচাঞ্চল্য নেই। জেলেদের পাশাপাশি মাছ ব্যবসায়ী, শ্রমিক, পরিবহনকর্মী, বরফকলের কর্মী এবং জাল মেরামতের সঙ্গে জড়িতরাও এর প্রভাব টের পাচ্ছেন।

স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মতে, মহিপুর-আলীপুরের মৎস্যকেন্দ্রিক অর্থনীতির সঙ্গে বহু মানুষের জীবিকা সরাসরি যুক্ত। সাগর থেকে মাছের সরবরাহ কমে গেলে শুধু ট্রলার মালিক বা জেলেরা নন, পুরো বন্দরকেন্দ্রিক ব্যবসা ব্যবস্থাই ক্ষতির মুখে পড়ে।

জেলেরা দ্রুত আবহাওয়া স্বাভাবিক হওয়া এবং সাগরে মাছের প্রাপ্যতা বাড়ার প্রত্যাশা করছেন। তাদের মতে, পরিস্থিতির উন্নতি না হলে সামনে লোকসানের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।

এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহার বক্তব্য জানতে তার কার্যালয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
 

উপদেষ্টা সম্পাদকঃ হোসনে আরা বেগম
নির্বাহী সম্পাদকঃ মাইনুল ইসলাম
ফোন: +৮৮০১৬৭৪০৬২০২৩
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম
ফোন: +৮৮ ০১৭ ১২৭৯ ৮৪৪৯
অফিস: ৩৯২, ডি আই টি রোড (বাংলাদেশ টেলিভিশনের বিপরীতে),পশ্চিম রামপুরা, ঢাকা-১২১৯।
যোগাযোগ: তাহিরুল ইসলাম, ০১৭৭৮০০৪৭০০ contact@banglahour.com
অফিসিয়াল মেইলঃ banglahour@gmail.com
banglahour
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল