
(১ ঘন্টা আগে) ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সোমবার, ১:৪৪ অপরাহ্ন
কুমিল্লার দেবিদ্বারে মা কে কুপিয়ে ও আট মাস বয়সী ভাতিজিকে আছার মেয়ে হত্যা করেছে ছেলে। এ সময় বাধা দিতে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন ওই যুবকের ভাবী।
সোমবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে উপজেলার বড়শালঘর ইউনিয়নের বড়শালঘর গ্রামের দক্ষিণ পাড়ার মোস্তফা মাস্টারের বাড়িতে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত যুবক ইমনকে (২৪) হাতেনাতে আটক করে ঘরে তালাবদ্ধ করে রাখে। আটক ইমন ওই বাড়ির মৃত ফরিদ মিয়ার ছেলে।
নিহতরা হলেন ইমনের মা মোছা. ফিরোজা বেগম এবং তার ছয় মাস বয়সী ভাতিজি ইসরাত জাহান। হামলায় গুরুতর আহত ভাবীর নাম রাবেয়া আক্তার।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল সাড়ে আটটার দিকে ইমন কোনো এক কারণে হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে দা দিয়ে তার নিজ মা পেয়ারা বেগমকে কুপিয়ে হত্যা করে। এরপর তার আট মাস বয়সী ভাতিজিকে আছড়ে মেরে ফেলে। এ সময় তাকে বাধা দিতে এগিয়ে এলে ভাবী রাবেয়াকেও এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করা হয়। পরে স্থানীয়রা এসে আহত রাবেয়াকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠায় এবং ঘাতক ইমনকে পাশের একটি ঘরে আটকে রাখে।
ইমনের বড় ভাই মো. সুজন (৩৫) বলেন, ২০১৮ সাল থেকে ইমন পা ভাঙার কারণে বাড়িতে ছিলেন। তার দুইবার অপারেশন হয়েছে। এরপর থেকে তার মধ্যে মানসিক সমস্যার লক্ষণ দেখা দেয়। সোমবার সকাল ৭টার দিকে তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। পরে খবর পান, তার মা ও ভাতিজিকে হত্যা এবং স্ত্রীকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে দেবিদ্বার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, "খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলের পৌছে ঘাতক ইমনকে আটক করি। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে অভিযুক্ত ইমন দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। তবে ঠিক কী কারণে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।