
(৩ ঘন্টা আগে) ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার, ৯:৪৯ অপরাহ্ন
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সিটি কর্পোরেশনের পাশাপাশি নগরবাসীকেও সচেতন হতে হবে। জনসচেতনতা ছাড়া ডেঙ্গু প্রতিরোধে শতভাগ সফলতা অর্জন করা কঠিন। এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের পাশাপাশি নিজ নিজ বাসাবাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
বিকেলে নগর ভবনের সভাকক্ষে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আয়োজিত পরিকল্পনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, সিসিক প্রশাসক বলেন, এখন ডেঙ্গুর মৌসুম। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী আগাম সতর্কতা ও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছেন। তবে সিলেট সিটি কর্পোরেশন এর আগেই ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে আসছে। এসব কার্যক্রমের পাশাপাশি নগরবাসীর সচেতনতা ও সহযোগিতা প্রয়োজন।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে আমরা বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছি এবং নগরবাসী এর সুফলও পাচ্ছেন। এখন পর্যন্ত সিলেটে স্থানীয়ভাবে কেউ ডেঙ্গু আক্রান্ত হননি। যে কয়েকজন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন, তাদের অন্য অঞ্চলে ভ্রমণের ইতিহাস রয়েছে। তারপরও এ বিষয়ে আত্মতুষ্টির কোনো সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, সিসিকের পক্ষ থেকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক লিফলেট নগরবাসীর ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে হবে। সিটি কর্পোরেশনের সেবা নিতে আসা নাগরিকদেরও নিজ নিজ বাসাবাড়ি পরিচ্ছন্ন রাখা এবং কোথাও পানি জমিয়ে না রাখার বিষয়ে সচেতন করতে হবে।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী সিসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করার নির্দেশ দিয়ে বলেন, এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করে নিয়মিতভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। পাশাপাশি নগরবাসীর মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টিতে ধারাবাহিকভাবে প্রচার চালাতে হবে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার। তিনি বলেন, সিলেটে এখন পর্যন্ত স্থানীয়ভাবে কেউ ডেঙ্গু আক্রান্ত হননি। শনাক্ত হওয়া কয়েকজনের অন্য অঞ্চল থেকে আক্রান্ত হয়ে সিলেটে আসার তথ্য রয়েছে। তবে এ কারণে বিষয়টিকে হালকাভাবে দেখার কোনো সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, এডিস মশার বিস্তার রোধে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। কোথাও যাতে পানি জমে এডিস মশার প্রজননস্থল তৈরি না হয়, সেদিকে সংশ্লিষ্টদের নজরদারি বাড়াতে হবে। নগরবাসীকেও এ বিষয়ে সচেতন ও সহযোগিতামূলক ভূমিকা পালন করতে হবে।
প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম ইসলামের সঞ্চালনায় সভায় সিসিকের জনসংযোগ কর্মকর্তা নেহার রঞ্জন পুরকায়স্থসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের সচিবরা বক্তব্য দেন।