
(১ মাস আগে) ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রবিবার, ৬:৩৬ অপরাহ্ন
ময়মনসিংহের বেগুনবাড়ি স্লুইস গেটে উদ্ধার হওয়া বস্তাবন্দি লাশের রহস্য উন্মোচন করলো পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। হত্যাকান্ডে জড়িত শামীম মিয়া (৩৮)কে গ্রেফতার করেছে পিবিআই।
আজ (রবিবার) দুপুরে নগরীর বাইপাসে পিবিআই কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পিবিআই পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান এতথ্য জানান।
তিনি বলেন, গোপনে আপত্তিকর ভিডিও দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করতো অটোরিক্সা মালিক ও স্বর্ণকার নিরঞ্জন চন্দ্র সূত্রধর(৫০)। নিরঞ্জনের অটো গ্যারেজ ম্যানেজার শামীম মিয়া। শামীমের সাথে ঘনিষ্ঠতায় তার বাসায় যাতায়াত ছিল নিরঞ্জনের। শামীমের ফাঁকা বাসায় একদিন এক নারী অবস্থান করলে, গোপনে শামীম ও ঐ নারীর আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে। পরে ঐ ভিডিও নিয়ে ক্রমাগত টাকা আদায় করতো। গত ২১ সেপ্টেম্বর বিকেলে ময়মনসিংহ নগরীর খাগডহর শামীমের বাসায় যান নিরঞ্জন। সেখানে নিরঞ্জন টাকা দাবি করলে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে মশলা বাটার শিল ও দা'বটি দিয়ে নিরঞ্জনের মাথায় আঘাত করে শামীম। এতে ঘটনাস্থলেই নিরঞ্জনের মৃত্যু হয়। পরদিন রাতে ড্রামে বস্তাবন্দি করে একটা ইজিবাইকে বেগুনবাড়ি স্লুইস গেট এলাকায় ফেলে দেয়।
পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ড্রামে বস্তাবন্দি লাশের খবর ছড়িয়ে পড়লে নিরঞ্জনের পরিবার শনাক্ত করে। এঘটনায় নিরঞ্জনের স্ত্রী সআিতা রানী ধর বাদি হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করে। এরপর পিবিআই তদন্ত শুরু করে। তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে গাজীপুরের গাছা থানার বোরবাজার এলাকা থেকে শামীমকে গ্রেফতার করে। তার দেয়া তথ্যে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত মসলা বাটার শিল ও দা'বটি উদ্ধার করে পুলিশ।
এর আগে ২৩ সেপ্টেম্বর সকালে বেগুনবাড়ি স্লুইস গেটে স্থানীয়রা ড্রামে বস্তাবন্দি লাশ দেখে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে পরিচয় শনাক্ত করে।