
(১১ ঘন্টা আগে) ৭ অক্টোবর ২০২৬, বুধবার, ৬:০৭ অপরাহ্ন
বাংলা চলচ্চিত্র যখন অশ্লীলতায় আধারে ছেঁয়ে গিয়েছিল তখন তার বিরুদ্ধে সব সময় সরব ছিলেন চিত্রনায়ক মান্না। কিন্তু তাঁর অভিনীত ‘ফায়ার’ ছবিটি মুক্তি পাওয়ার পর অভিযোগের আঙুল ওঠে মান্নার দিকে।
ছবিটিতে অশ্লীল দৃশ্য থাকায় এ নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। ছবিটি মুক্তির ২৪ বছর পর সম্প্রতি মান্নার একটি ভিডিও সামনে এসেছে। সেখানে মান্না জানিয়েছেন, অর্ধেক কাজ করার পরই তিনি এই ছবি থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন। ডাবিংও করেননি তিনি।
চিত্রনায়ক মান্নার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান কৃতাঞ্জলির সূত্রে পাওয়া ভিডিওতে মান্নাকে বলতে শোনা যায়, ‘'ফায়ার' নামে যে ছবিটি আমি করেছিলাম, সেই ছবিতে অর্ধেক কাজ করার পরে আমি আর কাজ করিনি। এমনকি আমি সিনেমায় ভয়েসও দিই নাই। আমি ডাবিংয়েও যাই নাই।’
মান্নার স্ত্রী শেলী মান্না গণমাধ্যমকে জানান, ২০০২ সালে ছবিটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়। তবে মান্না নিজের কাজ শেষ করেননি। তিনি দাবি করেন, তাই মান্নার পরিবর্তে ডামি ব্যবহার করে কিছু দৃশ্যের শুটিং করা হয়। ছবিটির এসব দৃশ্য নিয়ে বিরক্ত ছিলেন মান্না।
ভিডিওতেও অশ্লীল দৃশ্যে অভিনয়ের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে মান্না বলেন, ‘পুরো সিনেমায় আমার কো-আর্টিস্ট বা অন্য শিল্পীরা এবং ডিরেক্টর, প্রযোজক কে কী করছে, সেটা আমার যাচাই করা সম্ভব নয়। তবে আমি চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি, আমি কোনো অশ্লীল দৃশ্যে অভিনয় করিনি।’
একপর্যায়ে প্রযোজকের সঙ্গে মনোমালিন্যের কারণে ছবিটি থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানান মান্না। তবে ঠিক কোন ঘটনা নিয়ে দ্বন্দ হয় তার বিস্তারিত ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
চলচ্চিত্রে অশ্লীলতার বিরুদ্ধে নিজের অবস্থানের কথাও ভিডিওতে তুলে ধরেন মান্না। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে আমি সব সময় অশ্লীলতা নিয়ে প্রতিবাদ করেছি।’
মান্নার আক্ষেপ করে বলেন, ‘অশ্লীলতা নিয়ে একার পক্ষে যুদ্ধ করা সম্ভব নয়। আমি একা ক্লান্ত হয়ে গিয়েছি। অশ্লীল সিনেমা সম্পর্কে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না।’
ফায়ার সিনেমায় নায়িকার চরিত্রে অভিনয় করেছেন চিত্রনায়িকা পলি। ‘ফায়ার’ ছবিটি প্রযোজনা ও পরিচালনা করেন মোহাম্মদ হোসেন। তিনি দেশের বাইরে থাকায় এসব অভিযোগের বিষয়ে তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।