banglahour

চাঁদাবাজির অভিযোগে অর্থদণ্ড, সাজা পেয়েও মিথ্যা অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে!

সারাদেশ | নিজস্ব প্রতিবেদক।

(৪ সপ্তাহ আগে) ১১ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার, ৪:৫০ অপরাহ্ন

 

রাজধানীর মিরপুরে আলোচিত রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্র ভাঙচুরের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই দক্ষিণ বিশিল লেগুনা স্ট্যান্ডকে কেন্দ্র করে চাঁদাবাজির অভিযোগ ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। স্ট্যান্ড পরিচালনা ও চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে উত্তেজনা, মারধর, গ্রেপ্তার এবং পরবর্তী সময়ে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলার ঘটনায় বিষয়টি আলোচনায় এসেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকা জেলা যানবাহন শ্রমিক ইউনিয়নের (রেজি. নং ঢাকা-৯৭৪) তত্ত্বাবধানে দীর্ঘদিন ধরে দক্ষিণ বিশিল লেগুনা স্ট্যান্ড পরিচালিত হয়ে আসছিল। তবে সংশ্লিষ্ট কমিটির বর্তমান কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। এ অবস্থায় স্ট্যান্ড পরিচালনার বৈধতা এবং সেখানে অর্থ আদায়ের বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয়রা। তাদের প্রশ্ন, সংশ্লিষ্ট কমিটির কার্যক্রম চলমান না থাকলে কারা স্ট্যান্ড পরিচালনা করছেন এবং কীসের ভিত্তিতে অর্থ আদায় করা হচ্ছে?

অভিযোগ রয়েছে, দক্ষিণ বিশিলসহ আশপাশের কয়েকটি লেগুনা স্ট্যান্ডে চাঁদা আদায়ের সঙ্গে যুবদলের সাবেক এক নেতা ও দারুস সালাম থানা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক গোলাম রসুল পারভেজের অনুসারীরা জড়িত। সম্প্রতি রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্র ভাঙচুরের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠার পর তারা আত্মগোপনে রয়েছেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, ওই স্ট্যান্ডগুলোতে পারভেজের প্রতিনিধি হিসেবে ইয়াকুব অর্থ আদায় করতেন। গত ৫ অক্টোবর স্ট্যান্ড পরিচালনা ও অর্থ আদায়কে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে বিক্ষুব্ধ জনতা ইয়াকুবকে মারধর করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁকে চিকিৎসার জন্য সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে যায়। চিকিৎসা শেষে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানা গেছে।পরবর্তী সময়ে স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে ইয়াকুবকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।

এদিকে, সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে ইয়াকুব পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে দাবি করেন, পুলিশ তাঁকে ছেড়ে দিয়েছে। অন্যদিকে, সংশ্লিষ্ট পুলিশ সূত্রের দাবি, তাঁকে আদালতের মাধ্যমে অর্থদণ্ড দেওয়ার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে দারুস সালাম থানা পুলিশের সঙ্গে কথা বললে তারা জানায়, সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ তোলা হয়েছে, সেগুলো সঠিক নয় বলে তাদের দাবি। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ইয়াকুবকে গ্রেপ্তারের পর আদালতে পাঠানো হয় এবং আদালতের মাধ্যমে তাঁকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। পুলিশ বা বিক্ষুব্ধ জনতার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে আইনগত প্রতিকার চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার পরামর্শও দিয়েছে দারুস সালাম থানা পুলিশ।

পুলিশ সূত্র আরও জানায়, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অভিযোগে দারুস সালাম এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তাদের কাজ করতে হচ্ছে। সম্প্রতি রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্র ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের অবস্থা আত্মগোপনে হওয়ায় এলাকার আইন-শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রয়েছে।

এদিকে, ইয়াকুবের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগও রয়েছে।

এসব অভিযোগের বিষয়ে ইয়াকুবের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

উপদেষ্টা সম্পাদকঃ হোসনে আরা বেগম
নির্বাহী সম্পাদকঃ মাইনুল ইসলাম
ফোন: +৮৮০১৬৭৪০৬২০২৩
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম
ফোন: +৮৮ ০১৭ ১২৭৯ ৮৪৪৯
অফিস: ৩৯২, ডি আই টি রোড (বাংলাদেশ টেলিভিশনের বিপরীতে),পশ্চিম রামপুরা, ঢাকা-১২১৯।
যোগাযোগ: তাহিরুল ইসলাম, ০১৭৭৮০০৪৭০০ contact@banglahour.com
অফিসিয়াল মেইলঃ banglahour@gmail.com
banglahour
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল