
(২ ঘন্টা আগে) ১৫ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৯:৫৬ অপরাহ্ন
রাশিয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব গ্লোবাল ইউনিভার্সিটিজ দেশটির বিজ্ঞান ও উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং রসসোত্রুদনিচেস্তভোর সহযোগিতায় এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করছে। ব্যাচেলর, মাস্টার্স, পিএইচডি ও পোস্টডক্টরাল—এই চারটি পর্যায়ে প্রকৌশল, চিকিৎসাবিজ্ঞান, কম্পিউটার বিজ্ঞান, প্রাকৃতিক বিজ্ঞান, অর্থনীতি ও মানবিক বিদ্যাসহ ১৪টি বিষয়ে অংশ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
প্রতিযোগিতায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত যোগ্যতা ও শর্ত পূরণ সাপেক্ষে ইংরেজি বা রুশ ভাষায় পরিচালিত বিভিন্ন শিক্ষাক্রমে টিউশন ফি ছাড়াই পড়াশোনার সুযোগ পেতে পারেন। রুশ ভাষায় পরিচালিত নির্দিষ্ট শিক্ষাক্রমে নির্বাচিত যোগ্য বিজয়ীরা সরকারি অনুদানের আওতায় যাতায়াতের খরচ, আবাসন, স্বাস্থ্যবিমা ও মাসিক ভাতাসহ বিভিন্ন সুবিধাও পেতে পারেন। অন্যদিকে, পোস্টডক্টরাল পর্যায়ে অভিজ্ঞ বিজ্ঞানীদের তত্ত্বাবধানে উন্নত গবেষণায় যুক্ত হওয়ার সুযোগ রয়েছে।
২০১৭ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকে এ অলিম্পিয়াডে বিশ্বের ২০০টিরও বেশি দেশের ছয় লাখ ১৮ হাজারের বেশি প্রতিযোগী অংশ নিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ১৬ হাজার ৭০০-এর বেশি প্রতিযোগী বিজয়ী বা রানার-আপ হয়েছেন।
আগ্রহী শিক্ষার্থী ও গবেষকদের ১ নভেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে অনলাইনে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। নিবন্ধন ও প্রতিযোগিতা-সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে নিচের লিংকগুলোতে।
রাশিয়ায় উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সহায়তায় ঢাকাস্থ রাশিয়ান হাউস প্রতি সোমবার ও বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত অনলাইনে পরামর্শসেবা দিয়ে থাকে। বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী অনুষ্ঠিত এসব সেশনে উপযুক্ত শিক্ষাক্রম নির্বাচন, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত এবং আবেদনপ্রক্রিয়া সম্পর্কে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। সেশনে অংশ নেওয়ার সরাসরি লিংক ধানমন্ডিতে অবস্থিত ঢাকাস্থ রাশিয়ান হাউসের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে পাওয়া যাবে।
বাংলাদেশ ও রাশিয়ার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ একটি দিক হলো শিক্ষা ও বিজ্ঞানক্ষেত্রে সহযোগিতা। ‘ওপেন ডোরস’-এর মতো উদ্যোগ বাংলাদেশি তরুণদের আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা গ্রহণ, নতুন দক্ষতা অর্জন এবং গবেষণার অভিজ্ঞতা লাভের সুযোগ করে দেয়। এর মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার পথ তৈরি হয়।
ঢাকাস্থ রাশিয়ান হাউস যোগ্য বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও তরুণ গবেষকদের এ সুযোগ কাজে লাগাতে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে উৎসাহিত করেছে।
ঢাকাস্থ রাশিয়ান হাউস, যা রাশিয়ান সেন্টার ফর সায়েন্স অ্যান্ড কালচার নামেও পরিচিত, বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে কাজ করে। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও গবেষকদের রাশিয়ায় উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ সম্পর্কে তথ্য ও দিকনির্দেশনা দিয়ে থাকে।