banglahour

কাদাপানিতে দেশি মাছ শিকারের আনন্দে মেতেছে মানুষ

সারাদেশ | মিয়া মোহাম্মদ ছিদ্দিক কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি।

(১ দিন আগে) ২৬ অক্টোবর ২০২৬, সোমবার, ৪:৪০ অপরাহ্ন


কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে খাল-বিলের পানি কমতে শুরু করেছে। এতে সেচ দিয়ে কাদাপানিতে দেশি মাছ শিকারের ধুম পড়েছে গ্রামগুলোতে।

উপজেলার পৌর এলাকা থেকে শুরু করে সবগুলো ইউনিয়নের গ্রামগঞ্জে এখন মাছ শিকারের দৃশ্য দেখা যাচ্ছে।

এভাবে মাছ ধরা শিশুদের দুরন্ত শৈশবের আনন্দ আর বড়দের পুরোনো দিনে ফিরে যাওয়ার স্মৃতি মনে করিয়ে দেয়। সেই স্মৃতি হৃদয়ে ধারণ করেই তাঁরা নেমে পড়েন কাদাপানিতে। শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ, এমনকি নারীরাও মাছ ধরার এই আনন্দে শামিল হচ্ছেন।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, পৌর এলাকার বীরনোয়াকান্দী গ্রামে সড়কের পাশে একটি ডোবা সেচ দিয়ে শুকিয়ে মাছ শিকার করছেন স্থানীয় লোকজন। কারো হাতে থালা, কারো হাতে বালতি, আবার কেউ হাঁড়িপাতিল নিয়ে মাছ ধরার জন্য দাঁড়িয়ে আছেন। কয়েকজন কাদাপানিতে নেমে মাছ ধরছেন। কেউ থালা দিয়ে পানি সেচ দিচ্ছেন। কই, শিং, টাকি, পুঁটি, টেংরা, বাইমসহ নানা প্রজাতির দেশি মাছ ধরা হচ্ছে। একটু বড় আকারের মাছ পাওয়া গেলেই সবার মধ্যে দেখা যাচ্ছে হৈচৈ ও আনন্দ। মাছ ধরার কাজে অংশ নিচ্ছেন বৃদ্ধ, শিশু ও নারীরাও।

মুমুরদিয়া ইউনিয়নের পিপুলিয়া এলাকায় দেখা যায়, দলবেঁধে শিশুরা সেচ দিয়ে মাছ ধরছে। মাছ যেমনই হোক, সবার চোখেমুখে আনন্দের ঝিলিক। কেউ মাছ ধরছে, আবার অনেকে পাড়ে দাঁড়িয়ে সেই দৃশ্য উপভোগ করছে।

এমদাদুল হক জানানএকসময় ফসলি জমিতে আটকে থাকা পানিতে প্রচুর দেশি মাছ পাওয়া যেত। অতিমাত্রায় কীটনাশক প্রয়োগের ফলে মাছের বংশবিস্তার কমে গেছে। এ ছাড়া চায়না দুয়ারি ও কারেন্ট জালসহ নানা ধরনের ফাঁদে জলজ জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। হুমকির মুখে পড়েছে দেশি মাছ।

পৌর এলাকার বীরনোয়াকান্দী গ্রামের মতি মিয়া বলেন, ‘একসময় মেলা মাছ পাইতাম। অহন তো আগের মতো মাছ নাই। শখের বসে এলাকার ছেলেদের নিয়ে সেচ দিয়ে মাছ শিকার করছি। ছোট সময়ের ভালোলাগা থেকে এখনো নেমে পড়ি। এটা একটা আনন্দের বিষয়।’

শিক্ষার্থী ইয়াসিন বলেন, ‘বড়দের সঙ্গে আমরাও সেচ দিয়ে মাছ ধরার জন্য নামছি। কমবেশি সবাই মাছ পেয়েছি। সবচেয়ে বড় বিষয়, এটা আমাদের জন্য আনন্দের। মাছ পাওয়ার চেয়ে এতে আনন্দটাই বেশি।’

 

ছবি: শিশু থেকে বৃদ্ধ—সবাই মিলেমিশে সেচ দিয়ে এভাবেই কাদাপানিতে নেমে দেশি মাছ ধরছে। ছবিটি শনিবার সকালে পৌর এলাকার বীরনোয়াকান্দী গ্রাম থেকে তোলা। 

উপদেষ্টা সম্পাদকঃ হোসনে আরা বেগম
নির্বাহী সম্পাদকঃ মাইনুল ইসলাম
ফোন: +৮৮০১৬৭৪০৬২০২৩
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম
ফোন: +৮৮ ০১৭ ১২৭৯ ৮৪৪৯
অফিস: ৩৯২, ডি আই টি রোড (বাংলাদেশ টেলিভিশনের বিপরীতে),পশ্চিম রামপুরা, ঢাকা-১২১৯।
যোগাযোগ: তাহিরুল ইসলাম, ০১৭৭৮০০৪৭০০ contact@banglahour.com
অফিসিয়াল মেইলঃ banglahour@gmail.com
banglahour
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল