banglahour

সুন্দরবনের সুন্দরী কোঠায় কয়লা বোঝাই জাহাজ ডুবি: বাঘের আতঙ্ক মাথায় নিয়ে বাঁচলেন ১১ নাবিক

সারাদেশ | মনিরুল ইসলাম দুলু। বাগেরহাট প্রতিনিধি।

(২ ঘন্টা আগে) ২৭ অক্টোবর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১২:৪২ অপরাহ্ন


বঙ্গোপসাগরের হিরণপয়েন্টে অবস্থানরত বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে ১২৫০ মেট্রিক টন কয়লা বোঝাই করে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাওয়ার পথে সুন্দরবনের সুন্দরী কোঠা এলাকায় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে ডুবে গেছে ‘এমভি ফুলবাড়ী’ নামের একটি কার্গো জাহাজ। ‘ওটি জান্নাতুল ফেরদৌস’ নামের অপর একটি জাহাজের ধাক্কায় জাহাজটি নদীতে তলিয়ে গেলেও সুন্দরবনের চরে উঠে ও পরে অন্য জাহাজের সহায়তায় ১১ জন নাবিক ও কর্মী প্রাণে বেঁচে গেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, মোংলা বন্দরের ফেয়ারওয়ে বয়া সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের হিরণপয়েন্টে অবস্থানরত বিদেশি বাণিজ্যিক মাদার ভেসেল ‘ইয়াস জুপিটার’ (ণধংধ ঔঁঢ়রঃবৎ) থেকে ১২৫০ মেট্রিক টন কয়লা বোঝাই করে কার্গোটি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিল। পথিমধ্যে সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে সুন্দরবনের সুন্দরী কোঠা সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে ‘ওটি জান্নাতুল ফেরদৌস’ নামের অপর একটি কার্গো জাহাজ পেছন বা পাশ থেকে ‘এমভি ফুলবাড়ী’কে সজোরে ধাক্কা দেয়। ধাক্কার তীব্রতায়  কয়লা বোঝাই এমভি ফুলবাড়ী কার্গোটি মুহূর্তের মধ্যে পানিতে তলিয়ে যায়।

দুর্ঘটনার শিকার কার্গো জাহাজটির মাস্টার মোঃ সুজন জানান, “দুর্ঘটনার পর জাহাজটি ডুবে গেলে আমরা সাঁতরে নদীর চরে (সুন্দরবনে) উঠি। সেখানে অবস্থান করার সময় বাঘের গর্জন শুনতে পাই। অত্যন্ত আতঙ্কের মধ্যে আমাদের সেই সময় কাটাতে হয়।”
এরপর রাত সাড়ে ১১টার দিকে অপর একটি জাহাজের সহায়তায় তাদের উদ্ধার করা হয়।


উদ্ধারকারী জাহাজ ‘এমভি রানিয়া-১৩’-এর ক্যাপ্টেন মোঃ তুহিন ইসলাম জানান, “রাত ১১টার দিকে বেতার বার্তার মাধ্যমে জাহাজ দুর্ঘটনার খবর জানতে পারি। এরপর আমরা সেখানে গিয়ে তাদের উদ্ধার করি।” পরবর্তীতে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকালে উদ্ধারকৃত নাবিকদের বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের মোংলা শাখা অফিসে নিয়ে আসা হয়।

 

বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সমাজ কল্যাণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন চৌধুরী জানান, উদ্ধার হওয়া নাবিকরা বর্তমানে নৌযান অফিসে অবস্থান করছেন। তারা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পরবর্তীতে পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন এবং ডুবন্ত জাহাজটি উদ্ধারের জন্য দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। এছাড়া তিনি দাবি করেন, এই দুর্ঘটনার কারণে বন্দরের চ্যানেলটি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে।


উদ্ধার হওয়া ১১ জন নাবিক ও কর্মীরা হলেন—
মাস্টার মোঃ সুজন, ড্রাইভার প্রশান্ত চন্দ্র শীল, সুকানী মোঃ শাকিল, গ্রিজার প্রসেসজিৎ রায়, লস্কর মেহেদী হাসান বাপ্পি,মোঃ হোসেন মোল্লা,মোহাম্মদ অলিউল্লাহ, মোঃ সোহান শেখ,  বাবুর্চি মোহাম্মদ লিটু শেখ,নয়ন শেখ, গার্ড অনিল চন্দ্র সানা।

উপদেষ্টা সম্পাদকঃ হোসনে আরা বেগম
নির্বাহী সম্পাদকঃ মাইনুল ইসলাম
ফোন: +৮৮০১৬৭৪০৬২০২৩
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম
ফোন: +৮৮ ০১৭ ১২৭৯ ৮৪৪৯
অফিস: ৩৯২, ডি আই টি রোড (বাংলাদেশ টেলিভিশনের বিপরীতে),পশ্চিম রামপুরা, ঢাকা-১২১৯।
যোগাযোগ: তাহিরুল ইসলাম, ০১৭৭৮০০৪৭০০ contact@banglahour.com
অফিসিয়াল মেইলঃ banglahour@gmail.com
banglahour
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল