
(১২ ঘন্টা আগে) ৮ নভেম্বর ২০২৬, রবিবার, ১২:৪০ অপরাহ্ন
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার মাঠজুড়ে শোভা পাচ্ছে শীতকালীন নানা ধরনের সবজি। কোথাও সারি সারি বাঁধাকপি, কোথাও ফুলকপির গাছ,আলু রোপনে ব্যস্ত। বিস্তীর্ণ জমি ছেয়ে গেছে সবুজে। ভালো ফলনের আশায় জমির পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা। কেউ আগাছা পরিষ্কার করছেন, কেউ সার দিচ্ছেন, আবার কেউ যত্ন নিচ্ছেন সবজির গাছের।
শীতের আগমনে সবজির খেতে কর্মচাঞ্চল্য বাড়লেও কৃষকদের দুশ্চিন্তা কাটছে না। উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় ভালো ফলন পেলেও বাজারে ন্যায্য দাম পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন তাঁরা।
সম্প্রতি উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার গ্রামের মাঠ ঘুরে দেখা যায়, ফুলকপি ও শিম,মূলা,ডাটাঁ,টমেটো খেত পরিচর্যায় ব্যস্ত কৃষকেরা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার ভালো ফলনের আশা করছেন তাঁরা। তবে উৎপাদিত সবজি বিক্রির সময় প্রত্যাশিত দাম না পেলে লাভের পরিবর্তে লোকসানের মুখে পড়তে হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকে।
মুমুরদিয়া ইউনিয়নের পিপুলিয়া এলাকার কৃষক রমজান জানান, ৪০ শতাংশ জমিতে মরিচের আবাদ করেছেন তিনি।সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ভালো ফলন পাবেন বলে আশা করছেন। তার মতো অনেক কৃষক এবার শীতকালীন সবজি চাষাবাদ করেছেন বলে জানান এই কৃষক।
ফেকামারা গ্রামের কৃষক হেকিমের বলেন, এবার ভালো ফলনের আশা করছেন। তবে তাঁর মূল চিন্তা উৎপাদিত সবজির ন্যায্য দাম পাওয়া নিয়ে। তিনি বলেন, ফলন ভালো হবে বলে আশা করছি। কিন্তু বাজারে ন্যায্য দাম পাব কি না, তা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। সার, তেলসহ অন্যান্য কৃষি উপকরণের দামও বেড়েছে।
কটিয়াদী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বলেন,‘ উপজেলার কৃষকরা শীতকালীন আগাম সবজি চাষ শুরু করেছেন। বাজারে সবজির ভালো দাম থাকায় কৃষকেরা আগাম সবজি চাষে আগ্রহী হচ্ছেন। মাঠপর্যায়ে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছেন, যাতে তারা সঠিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ করে ভালো ফলন পেতে পারেন।