
(২ বছর আগে) ২ জুন ২০২৪, রবিবার, ১২:৪২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ আপডেট: ১২:৫৩ অপরাহ্ন
চট্টগ্রামে ইসলামী ব্যাংকের চকবাজার শাখার লকার থেকে এক গ্রাহকের ১৩৯ ভরি সোনা গায়েব। গত ২৯ মে দুপুরে ঘটনাটি জানাজানি হলেও এখন পর্যন্ত ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বা গ্রাহক কেউই থানায় মামলা দায়ের করেননি। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বৃহস্পতিবার পযর্ন্ত সময় চেয়েছেন বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী রোকেয়া বারী।
নগরের বেভারলি হিল এলাকার বাসিন্দা ও ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক রোকেয়া বারী ব্যাংকের একটি লকারে ওই গয়না রেখেছিলেন। ১৭ বছর ধরে তিনি তার এবং তার প্রত্রবধুদের গয়না ব্যাংকের লকারে রাখছেন। প্রতি মাসে তিনি লকার খুলে চেক করেন বলেও জানান। ঘটনার দিন ভুক্তভোগী রোকেয়া লেডিস ক্লাব থেকে ফেরার পথে ব্যাংকে যান এবং গয়নার লকার খুলতে বলেন। কিন্তু লকারের কাছে গিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানান তার লকার খোলা। এসময় রোকেয়া শকড হয়ে খানিকটা অসুস্থতা বোধ করেন পরে স্বাভাবিক হয়ে জানতে চান ঘটনা কী?
‘লকারে চুড়ি, জড়োয়া সেট, গলার সেট, গলার চেইন, আংটি, কানের দুলসহ ১৪৯ ভরি স্বর্ণালংকার ছিল। লকার খোলার পর দেখা যায়, সেখানে মাত্র ১০ থেকে ১১ ভরি সোনা অবশিষ্ট আছে। খোয়া যাওয়া সোনার দাম প্রায় দেড় কোটি টাকা। সোনা চুরির ঘটনায় ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা জড়িত রয়েছেন বলে মনে করছি।’
রোকেয়া বারীর ছেলে ডাক্তার রিয়াদ মোহাম্মদ মারজুক বলেন, ‘আমরা সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে বিষয়টি জানাই এবং চকবাজার থানার ওসি লকার রুম দেখে গেছেন। বুধবার রাতেই সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু ওসি আমাদের বলেন, মামলা করতে। আমরা পরিবারের আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শ করছি। এ বিষয়ে সোমবার আদালতে অভিযোগ দায়ের করবো।’
জানতে চাইলে চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী আকবর বলেন, ‘খবর পেয়ে আমি নিজেই ব্যাংকে গিয়েছিলাম। লকার খোলা দেখতে পাই। আমি ভুক্তভোগী গ্রাহককে মামলা করতে বলি। তবে ভুক্তভোগী এখনো কোনো মামলা করেননি। ব্যাংক থেকেও এ বিষয়ে কিছু বলা হয়নি।’
এ বিষয়ে জানতে চেয়ে ইসলামী ব্যাংক চকবাজার শাখার ব্যবস্থাপক শফিউল মাওলার ব্যক্তিগত ফোন নম্বরে একাধিকবার কল ও মেসেজ করার পরও তিনি সাড়া দেননি।