
(২ বছর আগে) ১০ জুলাই ২০২৪, বুধবার, ১২:৪১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ আপডেট: ১২:৪৯ পূর্বাহ্ন
খুলনায় অনেক নাটকিয়তার পর চুপিসারে সকাল সাড়ে ৯ টায় চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা শেখ রবিউল ইসলাম রবি হত্যা মামলার আসামী হিসেবে আদালতে পাঠানো হলো আবাসন ব্যবসায়ী আওয়ামীলীগ নেতা আজগর বিশ্বাস তারাকে। খুলনা জেলার ডুমুরিয়ার শারফপুর ৮ নং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রবি হত্যা মামলায় তারা বিশ্বাসকে হত্যা মামলায় ৫ নং এজাহার নামীয় আসামী তারা বিশ্বাস। আজ সকাল সাড়ে ৯ টায় আদালতে পাঠায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। মঙ্গলবার বেলা ১২ টায় তারা বিশ্বাসকে রায়েরমহল তার ব্যবসায়ী কার্যালয় বিশ্বাস প্রপার্টিজ থেকে আটক করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি টিম। এরপর তারা বিশ্বাসকে আটকের ঘটনা নিয়ে জেলা গোয়েন্দা, পুলিশ, ডুমুরিয়া থানা পুলিশ তথ্যদিতে নানা টালবাহনা করে। আজ সকালে কঠোর গোপনীয়তা মধ্যে তারা বিশ্বাসকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালত ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মঙ্গলবার বেলা ১২ টায় তারা বিশ্বাসকে রায়েরমহল তার ব্যবসায়ী কার্যালয় বিশ্বাস প্রপার্টিজ থেকে আটক করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি টিম। এ সময় তারা বিশ্বাসের ব্যবহৃত শর্টগান, বিপুল পরিমান গুলি ও গুলির খোসা জব্দ করে পুলিশ।
তারা বিশ্বাসকে আটকের ঘটনা নিয়ে জেলা গোয়েন্দা, পুলিশ, ডুমুরিয়া থানা পুলিশ তথ্য দিতে নানা টালবাহানা করে। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি মোঃ নাসির জানান, মামলাটি তদন্ত করছে ডুমুরিয়া থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ শাহীনুর রহমান, ছায়াতদন্তে রয়েছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। আজগর বিশ্বাস তারার অফিস থেকে জব্দকৃত শর্টগান ও গুলির বিষয়ে ডিবি ওসি মোঃ নাসির জানান, হত্যাকান্ডে তার অস্ত্র ও গুলি ব্যবহার হয়েছে কিনা এবং গুলির খোসা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে অভিযোগ উঠেছে গণমাধ্যম কর্মীদের চক্ষু আড়াল করে আসামী হয়েও তারা বিশ্বাসকে বিশেষ সুবিদা দিয়ে মঙ্গলবার আদালতে নেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার সরকারি ফোনে বেশ কয়েকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। গত শনিবার রাত ১০টার দিকে ডুমুরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা শেষে খুলনার ভাড়াবাড়িতে ফেরার পথে খুলনা-সাতক্ষীরা সড়কে গুটুদিয়া এলাকায় রবিউল ইসলামকে গুলি করে হত্যা করা হয়। শরাফপুরে নিজের বাড়ি থাকলেও তিনি স্ত্রী ও দুই ছেলেকে নিয়ে খুলনা নিরালা আবাসিক এলাকার ভাড়াবাড়িতে বসবাস করতেন।
তারা বিশ্বাস উপজেলা চেয়ারম্যানে নির্বাচন তার জন্য অনেক ক্ষতির কারন হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে অনেকে মনে করেন। আবাসন ব্যবসার নামে সরকারী যায়গা খাল দখলের অনেক অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে। যে কারনে অল্পসময়ে অঢেল অর্থ সম্পদের মালিক হয়েছে সে। অর্থের দাপটে সে ধরাকে সরা জ্ঞান করতো বলে অনেক অভিযোগ আছে তার নামে। তার প্রাইভেট কার কে মটরসাইকেল সাইড দিতে দেররী হওয়ায় পিরোজপুরে এক ছাত্রলীগ নেতাকে তার গাড়ীর থেকে আগ্নেয়াস্ত্র বের করে গুলি করতে উদ্ধত হবার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তদন্ত করলে অনেক অজানা রহস্যের উন্মোচন হবে বলে স্থানীয়রা মনে করেন।