
(২ বছর আগে) ৪ আগস্ট ২০২৪, রবিবার, ৯:৩৫ পূর্বাহ্ন
কলকারখানা চালু রাখাসহ দেশের অর্থনীতির স্বার্থে আলোচনার মাধ্যমে আন্দোলন পরিস্থিতির সমাধান চেয়েছেন ব্যবসায়ী ও শিল্পপতি সমাজ। এ জন্য সরকারকে যদি একটু ছাড়ও দিতে হয়, তাঁরা চান সরকার তা দেবে। ব্যবসায়ী নেতা, বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠীর কর্ণধার ও কারখানার মালিকেরা নিরস্ত্র মানুষের হত্যাকারীদের বিচারও দাবি করেন। তাঁরা বলেন, অনেক দেরি গেছে। তবে সময় এখনো ফুরিয়ে যায়নি।
ডলার–সংকটে ব্যবসা-বাণিজ্যের অবস্থা এমনিতেই খারাপ ছিল। সামষ্টিক অর্থনীতিতে চাপ আছে অনেক দিন থেকে। তার ওপর নতুন করে প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে চলছে কোটা সংস্কার আন্দোলন। এই আন্দোলনের মূল দাবি সরকার ইতিমধ্যে মেনে নিয়েছে। কিন্তু এই ফাঁকে ২১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল শনিবার ঘোষণা দিয়েছেন, ‘গণভবনের দরজা খোলা। কোটা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আমি বসতে চাই, তাদের কথা শুনতে চাই। আমি সংঘাত চাই না।’ গতকালই অবশ্য বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কেরা জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁরা আলোচনায় বসতে নারাজ। তাঁদের বক্তব্য, সিদ্ধান্ত আসবে রাজপথ থেকে।
করণীয় কী তাহলে? কোথায় গড়াবে অর্থনীতির অবস্থা? এসব প্রশ্নের জবাব জানতে গতকাল কয়েকজন শিল্পপতি ও ব্যবসায়ীর সঙ্গে প্রথম আলোর কথা হয়। বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, অর্থনীতি ঠিক না থাকলে তো সবই অচল হয়ে পড়বে। এর মধ্যে বড় বিষয় হচ্ছে সরবরাহ ব্যবস্থা ঠিক রাখা ও রপ্তানি কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখা। আর যে অবস্থা তৈরি হয়েছে, আলোচনাই এখন সমাধানের বড় পথ।
এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি আরও বলেন, ‘অর্থনীতির অবস্থা আগে থেকেই খুব ভালো ছিল না। তারপর নতুন করে শুরু হয়েছে আন্দোলন। সব মিলিয়ে সাম্প্রতিক আন্দোলনে সবাই কম-বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। আমরা এর সুষ্ঠু সমাধান চাই। এখনো সময় আছে। আর যাঁরা হত্যার শিকার হয়েছেন, তাঁদের হত্যাকারীদের চিহ্নিত করে সুষ্ঠু বিচার চাই।’