banglahour

ওএমএস নীতিমালা-২০২৪ জারি করেছে সরকার

জাতীয় | অনলাইন ডেস্ক

(২ বছর আগে) ১২ অক্টোবর ২০২৪, শনিবার, ১০:২৯ অপরাহ্ন

খোলাবাজারে খাদ্যশস্য বিক্রি (ওএমএস)  নীতিমালা-২০২৪ জারি করেছে সরকার। অনিয়ম ও শর্ত ভঙ্গের জন্য ডিলারদের কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা রেখে নতুন এ ওএমএস নীতিমালা প্রণয়ন করল সরকার। গত ৭ অক্টোবর ওএমএস নীতিমালা-২০২৪ জারি করে খাদ্য মন্ত্রণালয়। একইসঙ্গে ২০১৫ সালের এ সংক্রান্ত নীতিমালাটি বাতিল করা হয়েছে। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, অনিয়মের জন্য ডিলারদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করা যাবে।

নতুন নীতিমালায় ডিলারদের যোগ্যতার ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনা হয়েছে। নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে লাইসেন্সের মেয়াদ। বাড়ানো হয়েছে ডিলারদের ফেরতযোগ্য জামানতের অর্থের পরিমাণ। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, নতুন নীতিমালার মাধ্যমে ওএমএস কার্যক্রমের ত্রুটি-বিচ্যুতিগুলো দূর হবে, শৃঙ্খলা জোরদার হবে।

নীতিমালা অনুসারে কোনো ডিলার একনাগাড়ে ১৫ দিন খাদ্যশস্য উত্তোলনে ব্যর্থ হলে ডিলারের ডিলারশিপ বাতিল হবে এবং ওই ডিলারের বিপরীতে নতুন ডিলার নিয়োগের জন্য সুপারিশ করবে। নতুন ডিলার নিয়োগ না পাওয়া পর্যন্ত ওই ডিলার ওএমএসের কার্যক্রম পরিচলনা করবে। 

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, আগের নীতিমালায় ডিলারদের নানা অনিয়ম ও শর্ত ভঙ্গের জন্য কোনো শাস্তির ব্যবস্থা ছিল না, নতুন নীতিমালা তাদের অপরাধ অনুযায়ী শাস্তির বিধান করা হয়েছে। অনিয়ম হলে ডিলারদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করা যাবে।

২০১৫ সালের নীতিমালায় ওএমএস ডিলারদের অনিয়ম কিংবা শর্ত ভঙ্গের জন্য কোনো শাস্তির ব্যবস্থা ছিল না।

নতুন নীতিমালায় বলা হয়েছে, কোনো শর্ত লঙ্ঘন করলে বা দেশের প্রচলিত কোনো আইন অমান্য করলে ডিলারশিপ বাতিল করা যাবে এবং অঙ্গীকারনামার শর্ত মোতাবেক তার কাছ থেকে অর্থ আদায় করা যাবে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি বা দেওয়ানি মামলা দায়ের করা যাবে। ওএমএস ডিলার তার অনুকূলে বরাদ্দ করা খাদ্যশস্য কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়া যথাসময়ে উত্তোলন না করলে তার ডিলারশিপ বাতিল বা জামানত বাজেয়াপ্ত করা যাবে।

ডিলার নিয়োগকালে ডিলারের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকার ফেরতযোগ্য জামানত পে-অর্ডার আকারে গ্রহণ করতে হবে। আগের নীতিমালা অনুযায়ী, ২৫ হাজার টাকা জামানত নেওয়া হতো। খাদ্যশস্য আত্মসাৎ বা মাস্টাররোল ও মজুত রেজিস্টার থেকে বাড়তি কিংবা ঘাটতি হলে ওই পরিমাণ খাদ্যশস্যের অর্থনৈতিক মূল্যের দ্বিগুণ হারে আদায়যোগ্য হবে এবং ডিলারের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করা যাবে বলে নতুন নীতিমালায় জানানো হয়েছে।এতে আরও বলা হয়, ডিলার সময় মতো দোকান না খুললে বা ভোক্তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করলে কিংবা নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে অতিরিক্ত বিক্রি করলে বা নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি মূল্যে বিক্রি করলে, ওজন/পরিমাণে কম দিলে, যথাযথ ব্যানার দৃশ্যমান স্থানে টাঙানো না হলে এবং পরিদর্শন ও মজুত রেজিস্টার, ডিও, বরাদ্দ আদেশ, চাল/আটার ভাউচার সংরক্ষণ না করাসহ বিবিধ অনিয়মের জন্য ডিলারের কার্যক্রম স্থগিত করা যাবে।

ওএমএস কার্যক্রম চলমান থাকাকালে কোনো কারণে ডিলারশিপ বাতিল/স্থগিত/কোনো ডিলার খাদ্যশস্য উত্তোলনে ব্যর্থ হলে উপকারভোগীদের স্বার্থে কমিটির সিদ্ধান্তে পার্শ্ববর্তী বিক্রয় কেন্দ্রের ডিলারকে দিয়ে সাময়িক ব্যবস্থা হিসাবে ওএমএস কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে বলে নতুন নীতিমালায় উল্লে­খ করা হয়েছে।

এতে বলা হয়, কোনো ডিলার একনাগাড়ে ১৫ দিন খাদ্যশস্য উত্তোলনে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট ডিলারের ডিলারশিপ বাতিল হবে এবং ওই ডিলারের বিপরীতে নতুন ডিলার নিয়োগের জন্য সুপারিশ করবে। নতুন ডিলার নিয়োগ না পাওয়া পর্যন্ত ওই ডিলার ওএমএসের কার্যক্রম পরিচালিত হবে।সরকার প্রয়োজনে এ নীতিমালার অধীন দেশের প্রত্যন্ত এলাকায় (বিভিন্ন বিচ্ছিন্ন অঞ্চল, উপকূলীয় দ্বীপ, চর অঞ্চল, হাওড় এলাকা ও পার্বত্য এলাকার বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার যে কোনো এলাকায়) ওএমএসের কার্যক্রম সম্প্রসারণ করে পরিচালনা করতে পারবে।

উপদেষ্টা সম্পাদকঃ হোসনে আরা বেগম
নির্বাহী সম্পাদকঃ মাইনুল ইসলাম
ফোন: +৮৮০১৬৭৪০৬২০২৩
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম
ফোন: +৮৮ ০১৭ ১২৭৯ ৮৪৪৯
অফিস: ৩৯২, ডি আই টি রোড (বাংলাদেশ টেলিভিশনের বিপরীতে),পশ্চিম রামপুরা, ঢাকা-১২১৯।
যোগাযোগ: তাহিরুল ইসলাম, ০১৭৭৮০০৪৭০০ contact@banglahour.com
অফিসিয়াল মেইলঃ banglahour@gmail.com
banglahour
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল